অ্যাশেজ ২০২৩

লর্ডসেও শেষ দিনে রোমাঞ্চের অপেক্ষা

শনিবার লর্ডস টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে কিছুটা এগিয়ে অস্ট্রেলিয়ায়। ৩৭১ রান তাড়ায় নেমে ৪ উইকেটে ১১৪ রান তুলে দিন শেষ করেছে ইংলিশরা। ৬৭ বলে ৫০ করে ক্রিজে আছেন ডাকেট। ৬৬ বলে ২৯ করে ব্যাট করছেন অধিনায়ক স্টোকস। ৫ম দিনে ম্যাচ জিততে আরও ২৫৭ রান চাই ইংল্যান্ডের।

এজবাস্টন টেস্ট হেরে সিরিজে পিছিয়ে থাকা ইংল্যান্ড মরিয়া হয়ে ফিরতে চেয়েছিল লর্ডসে। তবে লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টেও ম্যাচের বেশিরভাগ সময় দাপট দেখাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। স্বাগতিকদের কঠিন লক্ষ্য দিয়ে  ছোবল হানেন মিচেল স্টার্ক আর প্যাট কামিন্স। বেন স্টোকস আর বেন ডাকেটের জুটিতে অবশ্য রোমাঞ্চ ধরে রেখেছে ইংল্যান্ডও।

শনিবার লর্ডস টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে কিছুটা এগিয়ে অস্ট্রেলিয়ায়। ৩৭১ রান তাড়ায় নেমে ৪ উইকেটে ১১৪ রান তুলে দিন শেষ করেছে ইংলিশরা। ৬৭ বলে ৫০ করে ক্রিজে আছেন ডাকেট। ৬৬ বলে ২৯ করে ব্যাট করছেন অধিনায়ক স্টোকস। ৫ম দিনে ম্যাচ জিততে আরও ২৫৭ রান চাই ইংল্যান্ডের।

৩৭১ রানের লক্ষ্যে নেমে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে স্বাগতিক দল।  তৃতীয় ওভারেই উইকেট হারায় তারা। স্টার্কের বাড়তি বাউন্সে কিপারের গ্লাভসে জমা পড়েন জ্যাক ক্রলি। তিনে নামা ওলি পোপও ব্যর্থ। স্টার্কের দারুণ ভেতরে ঢোকা ডেলিভারি স্টাম্প উড়িয়ে নেয় তার।

জো রুটের দিকে তাকিয়ে ছিল দল। দলের সফলতম ব্যাটার এই যাত্রায় দিতে পারেননি ভরসা। কামিন্সের বল খোঁচা মেরে স্লিপে ক্যাচ দেন ১৮ রান করা রুট। পুরো সিরিজে এখনো পর্যন্ত প্রত্যাশা মেটাতে না পারা হ্যারি ব্রুক ভীষণ দরকারেও পারলেন না। ৪ রান করা ব্রুককে বোল্ড করে দেন অসি কাপ্তান।

৪৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে প্রবল ধাক্কা খাওয়া ইংল্যান্ডকে ভরসা দিতে থাকেন ডাকেট-স্টোকস। বাজবল থিউরির বাইরে গিয়ে রয়েসয়ে খেলতে থাকেন তারা।

দিনের একদম শেষ ভাগে ফিরতে পারেন ডাকেট। ক্যামেরন গ্রিনের বাউন্সার উড়াতে গিয়ে টপ এজড হয়ে ক্যাচ দিয়েছিলেন। ফাইন লেগ থেকে অনেকটা ছুটে সেই ক্যাচ হাতে জমালেও পরে দেখা যায় বল লেগেছে মাটিয়ে। উদযাপনের পর হতাশ হয় অস্ট্রেলিয়া, স্বস্তি ফিরে পায় ইংল্যান্ড।  বাকিটা সময়ে আর হয়নি কোন বিপর্যয়।

এর আগে ২ উইকেটে ১৩০ রান নিয়ে নামা অস্ট্রেলিয়া বাকি ৮ উইকেট নিয়ে যোগ করতে পারে আর ১৪৯ রান। দারুণ বোলিংয়ে চেপে ধরার কাজটা করেন মূলত স্টুয়ার্ট ব্রড। ৬৫ রানে ৪ উইকেট পান তিনি।  এছাড়া জশ টং আর ওলি রবিনসন দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।

Comments

The Daily Star  | English

How helicopters took Dhaka’s denizens to the skies

AK Azad, chairman and chief executive officer of Ha-Meem Group and a member of parliament from Faridpur-3 constituency, used to visit his factories in his car once or twice a month around a year ago.

14h ago