মিরপুর টেস্টে হারলেও র‍্যাঙ্কিংয়ে এগোলেন মিরাজ-নাঈম-শরিফুল

ফর্ম ধরে রেখে ওই ম্যাচে দুই ইনিংস মিলিয়ে তাইজুল ইসলাম দখল করেন ৫ উইকেট। তিনি অবশ্য আগের মতোই ১৪ নম্বরে অবস্থান করছেন।
ছবি: ফিরোজ আহমেদ

মিরপুরে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে নিউজিল্যান্ডের কাছে যায় বাংলাদেশ। তবে ওই ম্যাচে বল হাতে দারুণ পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি পেলেন টাইগার বোলাররা। আইসিসি টেস্ট বোলিং র‍্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি হলো মেহেদী হাসান মিরাজ, নাঈম হাসান ও শরিফুল ইসলামের।

বুধবার প্রকাশিত র‍্যাঙ্কিংয়ের সবশেষ সাপ্তাহিক হালনাগাদে দুই ধাপ এগিয়ে ২১ নম্বরে অবস্থান করছেন অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার মিরাজ। পাঁচ ধাপ উন্নতি হওয়া অফ স্পিনার নাঈম রয়েছেন ৪৪ নম্বরে। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছেন বাঁহাতি পেসার শরিফুল। নয় ধাপ এগিয়ে তিনি উঠেছেন ৫৮তম স্থানে।

গত শনিবার শেষ হওয়া মিরপুর টেস্টে স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে ৪ উইকেটে জিতে সিরিজে ১-১ ব্যবধানে সমতা টানে নিউজিল্যান্ড। দুই ইনিংসে তিনটি করে মোট ছয়টি উইকেট নেন মিরাজ। প্রথম ইনিংসে দুটি ও দ্বিতীয় ইনিংসে একটি উইকেট শিকার করেন শরিফুল। আর প্রথম ইনিংসে নাঈমের ঝুলিতে যায় দুটি উইকেট।

ফর্ম ধরে রেখে ওই ম্যাচে দুই ইনিংস মিলিয়ে তাইজুল ইসলাম দখল করেন ৫ উইকেট। তিনি অবশ্য আগের মতোই ১৪ নম্বরে অবস্থান করছেন। সিলেটে হওয়া প্রথম টেস্টে মোট ১০ উইকেট নিয়েছিলেন সিরিজসেরার পুরস্কার জেতা বাঁহাতি স্পিনার। মিরপুরে নিউজিল্যান্ডের বাঁহাতি স্পিনার এজাজ প্যাটেল দ্বিতীয় ইনিংসে ছয় উইকেটসহ মোট আট উইকেট পান। তিনি সাত ধাপ এগিয়ে উঠেছেন ৩৩ নম্বরে।

র‍্যাঙ্কিংয়ের সেরা একশতে আছেন বাংলাদেশের আরও পাঁচ ক্রিকেটার। নিয়মিত অধিনায়ক সাকিব আল হাসান এক ধাপ পিছিয়ে নেমে গেছেন ২৮ নম্বরে। চোটে থাকা ডানহাতি পেসার ইবাদত হোসেনও এক ধাপ পিছিয়ে আছেন ৬১তম স্থানে। চোটগ্রস্ত আরেক তারকা পেসার তাসকিন আহমেদের অবনতি হয়েছে চার ধাপ। তিনি এখন ৮২ নম্বরে। এছাড়া, ডানহাতি পেসার খালেদ আহমেদ ৮৬ ও অনিয়মিত স্পিনার মুমিনুল হক ৯২ নম্বরে রয়েছেন।

টেস্ট বোলিং র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন ভারতের রবিচন্দ্রন অশ্বিন। এই সংস্করণের ব্যাটিং র‍্যাঙ্কিংয়ে যথারীতি শীর্ষে আছেন নিউজিল্যান্ডের কেইন উইলিয়ামসন। অশ্বিনের স্বদেশি রবীন্দ্র জাদেজা আগের মতোই রয়েছেন অলরাউন্ডার র‍্যাঙ্কিংয়ে সবার উপরে।

Comments

The Daily Star  | English
Pilkhana BDR Mutiny

Carnage At Pilkhana BDR HQ: 15 years on, justice yet to be meted out

Fifteen years have passed since the BDR mutiny that killed 74 people, including 57 army officials, but the victim families are yet to get final justice and the accused their due punishment, as both the cases filed over the incident have not yet been disposed of due to lengthy legal processes and courts being overburdened with cases.

11h ago