সিলেট টেস্ট

নাহিদের গতির ঝাঁজে বাংলাদেশের সেশন 

Nahid Rana
ছবি: ফিরোজ আহমেদ

প্রথম দিনের হতাশা কাটিয়ে দারুণ বোলিংয়ে দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে সিলেট টেস্টে খেলায় ফিরেছে বাংলাদেশ। গতির তোড়ে দারুণ বল করে দলকে খেলায় ফিরিয়েছেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা। 

দ্বিতীয় দিনের লাঞ্চ বিরতি পর্যন্ত ৪ উইকেটে ১৩৩  রান করেছে জিম্বাবুয়ে। বিনা উইকেটে ৬৭ রান নিয়ে নেমে এই সেশনে  ২৪ ওভার ব্যাট করে ৬৬  রান তুলতে তারা খুইয়েছে  ৪ উইকেট। এরমধ্যে তিন উইকেটই নিয়েছেন নাহিদ। আরেক উইকেট পেয়েছেন হাসান মাহমুদ। খালেদ আহমেদ উইকেট না পেলেও একাধিক সুযোগ তৈরি করেছিলেন। ব্যাটারদের চেপে ধরার কাজটা তিনি করেছেন ভালোই। 

দিনের তৃতীয় ওভারেই সাফল্য আনেন নাহিদ। তার গতিময় বাউন্সারে হকচকিয়ে ফরোয়ার্ড শর্ট লেগে ক্যাচ দেন বেন কারান। ৫৫ বলে ১৮ করা ব্যাটারের আউটে ৬৯ রানে প্রথম উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে।

Sylhet International Cricket Stadium
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সবুজ গ্যালারি। ছবি: ফিরোজ আহমেদ

আরেক পাশে হাসান কিছু বাউন্ডারি হজম করলেও উইকেটের খোঁজে ছিলেন। তবে দ্বিতীয় উইকেটটিও পান নাহিদ। ফিফটি করা ব্রায়ান বেনেট ছিলেন সাবলীল। এই ব্যাটার অবশ্য কাটা পড়েন অতিরিক্ত শটের নেশায়। নাহিদের বাড়তি লাফানো বল কাট করতে গিয়ে ক্যাচ দেন কিপারের হাতে। ৬৪ বলে ৫৭ করে বিদায় নেন তিনি।

ঠিক পরের ওভারে মোহনীয় ইনস্যুয়িংঙ্গারে নিক ওয়েলেকের স্টাম্প উপড়ে দেন হাসান। বিনা উইকেটে ৬৯ থেকে ৮৮ রানে তিন উইকেট হারিয়ে প্রথম ঘন্টাতেই চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে।

সেই চাপ সামাল দিতে জুটি বাঁধেন সফরকারীদের দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার শন উইলিয়ামস ও ক্রেইগ আরভিন। এই দুজনের জুটিতে মনে হচ্ছিলো সেশন পার করে দেবে তারা। 

উইকেটের খোঁজে থাকা শান্ত সেশনের শেষ দিকে আবার নিয়ে আসেন নাহিদকে। সাফল্যও মিলে যায়। নাহিদের বাড়তি বাউন্সের বল ছাড়তে গিয়ে ব্যাটে লাগান আরভিন। কিপার জাকের আলি অনিক ক্যাচ ধরেও এজড হয়েছে কিনা বুঝতে পারেননি। আম্পায়ার আউট না দেওয়ায় রিভিউ নেয় বাংলাদেশ। তাতে আসে সাফল্য। জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক থামেন ৮ রান করে। 

বাংলাদেশের ১৯১ রান থেকে ৬ উইকেট হাতে নিয়ে ৫৮ রানে পিছিয়ে আছে জিম্বাবুয়ে। 

Comments

The Daily Star  | English
Remittance Earnings of Four South Asian Countries

Bangladesh back in South Asia remittance race

Bangladesh has returned to a competitive remittance growth path in line with its South Asian neighbours, with a larger-than-usual flow of money sent home by expatriates following the political changeover in August last year.

11h ago