রিয়াল-চেলসি কাড়াকাড়ি করলেও গ্যাভার্দিওলের পছন্দ লিভারপুল

ইয়োস্কো গ্যাভার্দিওলকে পেতে ১২০ মিলিয়ন ইউরো খরচ করতে রাজী রিয়াল মাদ্রিদ। বড় অঙ্ক খরচ করে তাকে পেতে মুখিয়ে আছে ইংলিশ ক্লাব চেলসিও। এ দুই ক্লাবের মধ্যে এক প্রকার প্রতিযোগিতা চলছে এই ডিফেন্ডারকে দলে পেতে। তবে এই ক্রোয়েশিয়ানের মনে গেঁথে আছে আরেক ইংলিশ ক্লাব লিভারপুল।

ইয়োস্কো গ্যাভার্দিওলকে পেতে ১২০ মিলিয়ন ইউরো খরচ করতে রাজী রিয়াল মাদ্রিদ। বড় অঙ্ক খরচ করে তাকে পেতে মুখিয়ে আছে ইংলিশ ক্লাব চেলসিও। এ দুই ক্লাবের মধ্যে এক প্রকার প্রতিযোগিতা চলছে এই ডিফেন্ডারকে দলে পেতে। তবে এই ক্রোয়েশিয়ানের মনে গেঁথে আছে আরেক ইংলিশ ক্লাব লিভারপুল।

এবার মরুর বুকে যে কজন তরুণ ফুটবলার নজর কেড়েছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন গ্যাভার্দিওল। ২০ বছরের এই তরুণের তেজদ্বীপ্ত ডিফেন্ডিং ও হার না মানা মানসিকতা মুগ্ধ করেছে অনেককেই। ছিলেন আসরের সেরা তরুণ খেলোয়াড়ের পুরস্কার পাওয়ার দৌড়েও। ফলে বিশ্বকাপ শেষ হতে না হতেই ক্রোয়েশিয়ার এই তরুণকে নিয়ে কাড়াকাড়ি শুরু করেছে ইউরোপীয় শীর্ষ ক্লাবগুলো।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর সংবাদ অনুযায়ী রিয়াল মাদ্রিদ, চেলসি ও ম্যানচেস্টার সিটির মতো ক্লাব দলে ভিড়াতে চায় গ্যাভার্দিওলকে। তবে আরবি লাইপজিগের এই সেন্টার ব্যাকের শৈশবের ভালোবাসা আরেক ইংলিশ জায়ান্ট লিভারপুল। তবে চেলসিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও করলেন না পুরোপুরি নাকচ।

ছোটবেলায় কোন ক্লাবে খেলতে চাইতেন এমন প্রশ্নে শুক্রবার ক্রোয়েশিয়ান গণমাধ্যম দানাসকে গ্যাভার্দিওল বলেন, 'এটা নিশ্চিতভাবেই লিভারপুল। ছোটবেলা থেকেই বাবার সঙ্গে লিভারপুলের অনেক ম্যাচ দেখেছি, প্রতি মৌসুমের পুরোটাই আমরা দেখতাম। এটি এমনই একটি ক্লাব যা আমার হৃদয়ে রয়ে গেছে।'

চেলসিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে তিনি বলেন, 'তারা (চেলসি) হাল ছাড়েনি। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে শীতকালে এগোতে আমরা সম্মত হয়েছিলাম। শীত এসে পড়েছে, সুতরাং আমাদের দেখতে হবে কোন দিকে ও কীভাবে এগোতে হবে। কিন্তু এটা ঠিক আছে। এখনও অনেক সময় আছে, দেখা যাক।'

তবে পুরোপুরি পরিণত হয়েই ইংল্যান্ডে আসতে চান বলে জানান গ্যাভার্দিওল, 'যখন আমি শিশু তখন থেকেই ইংলিশ লিগের প্রতি আকৃষ্ট হতাম। আমরা সবাই জানি এটা কোন ধরণের লিগ। জানি না এই লিগের জন্য আমি প্রস্তুত ও যথেষ্ট পরিণত হয়েছি কিনা। দেখা যাক, যখন আমি অনুভব করব এটাই (সঠিক) মুহূর্ত, একটি নির্দিষ্ট পর্যায় পার করেছি তখন আমি আরও (দূরে) তাকাবো।'

Comments

The Daily Star  | English

Lifting curfew depends on this Friday

The government may decide to reopen the educational institutions and lift the curfew in most places after Friday as the last weekend saw large-scale violence over the quota-reform protest.

10h ago