রোনালদোর চুক্তিতে সৌদির বিশ্বকাপ বিডের শর্ত নেই: আল নাসর

ছবি: টুইটার

বিশাল পরিমাণ অর্থ খরচ করে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে দলে ভিড়িয়েছে সৌদি আরবের ক্লাব আল নাসর। নিজেদের ফুটবলকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশায় ক্লাবটি তাকে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মনে করেন অনেকেই। গুঞ্জন রয়েছে, ২০৩০ বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার জন্য দূত হিসেবে কাজ করবেন রোনালদো। তবে এ গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছে আল নাসর।

মূলত দেশটির স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে গুঞ্জনের শুরু। জানা যায় রোনালদোর সঙ্গে সাত বছরের চুক্তি করেছে আল নাসর। প্রথম আড়াই বছর খেলোয়াড় হিসেবে থাকবেন দলে। এরপর মিশর ও গ্রিসের সঙ্গে যৌথভাবে ২০৩০ বিশ্বকাপ আয়োজক হতে সৌদি আরবের দূত হিসেবে কাজ করবেন এ পর্তুগিজ তারকা।

তবে সামাজিকমাধ্যমে এ গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে আল নাসর জানিয়েছে, 'বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আল নাসর এফসি পরিষ্কার করতে চায় যে, ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর চুক্তিতে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ স্বত্ব পাওয়ার জন্য কাজ করার কোনো শর্ত অন্তর্ভুক্ত নেই। তার মূল কাজ আল নাসরকে ঘিরে। একই সঙ্গে সতীর্থদের সঙ্গে কাজ করে ক্লাবকে সাফল্য পেতে সাহায্য করা।'

ক্লাব থেকে চুক্তির বিষয় আনুষ্ঠানিকভাবে না জানানো হলেও বিভিন্ন সংবাদ মারফত জানা গিয়েছে রোনালদো যোগ দিয়েছেন আড়াই বছরের চুক্তিতে। সেখানে বার্ষিক ২১ কোটি ডলারেরও বেশি আয় করবেন ৩৭ বছর বয়সী এই পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড।

এদিকে আল নাসরে যোগ দিলেও এখনও মাঠে নামা হয়নি রোনালদোর। বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ইংল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েসনের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা। গত এপ্রিলে পয়েন্ট টেবিলের তলানীর দল এভারটনের বিপক্ষে হারের পর ডাগআউটে ফেরার সময় এক প্রতিবন্ধী কিশোরের হাতে আঘাত করার ঘটনায় দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ হয়েছিলেন তিনি। সে নিষেধাজ্ঞা কাটাতে হচ্ছে সৌদিতে। 

দুই ম্যাচ নিষেধাজ্ঞার এক ম্যাচ ইতোমধ্যে পার করে ফেলেছেন রোনালদো। ১৪ জানুয়ারি (শনিবার) আল শাবাবের বিপক্ষে নাসরের ম্যাচশেষেই কেটে যাবে এই নিষেধাজ্ঞা। ফলে আগামী ২২ জানুয়ারি আল ইত্তিফাকের বিপক্ষে মাঠে নামতে আর কোন বাধা থাকবে না রোনালদোর।

তার আগে পিএসজির বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে রোনালদোর মাঠে নামার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন নাসর কোচ রুদি গার্সিয়া। আগামী ১৯ জানুয়ারি সৌদির রাজধানী রিয়াদে পিএসজির বিপক্ষে সেই প্রীতি ম্যাচটিতে অংশ নেবে নাসর-আল হিলালের সম্মিলিত একাদশ।

Comments

The Daily Star  | English

Beyond development paradox & unnayan without democracy

As Bangladesh seeks to recalibrate its path in the aftermath of recent upheavals, the time is ripe to revisit an oft-invoked but under-examined agenda: institutional reform. Institutions are crucial to understand, as they are foundational for governance, transformation, and economic development.

15h ago