বার্সেলোনার জন্য বড় দুঃসংবাদ

সাত মিনিটের ব্যবধানে জোড়া গোল হজম করে হারের বড় শঙ্কায় ছিল দলটি। শেষ পর্যন্ত অবশ্য ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে পেরেছে তারা। তবে বড় কথা ঘরের মাঠে এগিয়ে থাকার বড় সুযোগ হাতছাড়া করেছে দলটি। তার উপর আরও বড় দুঃসংবাদ শুনতে হয়েছে তাদের। ইনজুরির কারণে আগামী কয়েক সপ্তাহ দলের সেরা তারকা পেদ্রিকে পাচ্ছে না তারা।

সাত মিনিটের ব্যবধানে জোড়া গোল হজম করে হারের বড় শঙ্কায় ছিল দলটি। শেষ পর্যন্ত অবশ্য ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে পেরেছে তারা। তবে বড় কথা ঘরের মাঠে এগিয়ে থাকার বড় সুযোগ হাতছাড়া করেছে দলটি। তার উপর আরও বড় দুঃসংবাদ শুনতে হয়েছে তাদের। ইনজুরির কারণে আগামী কয়েক সপ্তাহ দলের সেরা তারকা পেদ্রিকে পাচ্ছে না তারা।

বৃহস্পতিবার রাতে ন্যু ক্যাম্পে ইউরোপা লিগের শেষ ষোলোর ম্যাচে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও বার্সেলোনার ম্যাচটি ২-২ গোলের ড্র হয়। ৫০তম মিনিটে মার্কোস আলনসোর গোলে এগিয়ে গেলেও নয় মিনিটের মধ্যে রাশফোর্ড ও জুলস কুন্দের আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়ে তারা। তবে ৭৬তম মিনিটে রাফিনহার নজরকাড়া গোলে সমতায় ফেরে দলটি।

পেদ্রির ইনজুরির আপডেট জানিয়ে ক্লাবের ওয়েবসাইটে এক বিবৃতিতে বার্সেলোনা জানিয়েছে, 'আজ সকালে করা পরীক্ষাগুলো নিশ্চিত করেছে যে প্রথম দলের খেলোয়াড় পেদ্রি ডান উরুর রেকটাস ফেমোরিসে আঘাত পেয়েছেন।'

এদিন ম্যাচের প্রথমার্ধেই ইনজুরিতে পড়ে মাঠ ছাড়েন পেদ্রি। ৪১তম মিনিটে হ্যামস্ট্রিংয়ে টান লাগায় মাঠ ছাড়েন এ মিডফিল্ডার। এ ধরণের ইনজুরি থেকে সেরে উঠতে ৪ সপ্তাহেরও বেশি সময় লাগে। যে কারণে এ সময়ে নিশ্চিতভাবেই ছয়টি ম্যাচ মিস করবেন এ স্প্যানিশ তরুণ।

এই ফেব্রুয়ারিতেই বার্সেলোনার ম্যাচ রয়েছে তিনটি। ১৯ ফেব্রুয়ারি লা লিগায় কাদিজের বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা। এরপর ২৩ ফেব্রুয়ারি ওল্ড ট্রাফোর্ডে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে ইউরোপা লিগের ফিরতি ম্যাচ এবং ২৬ ফেব্রুয়ারি লা লিগায় আলমেরিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে বার্সা। 

এছাড়া মার্চের শুরুতে (২ মার্চ) সাতিয়াগো বার্নাব্যুতে কোপা দেল রে'র এল ক্লাসিকো ম্যাচেও খেলতে পারবেন না পেদ্রি। ৫ মার্চ ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে ও সানমামাসে ১২ মার্চ অ্যাথলেতিক বিলবাওর সঙ্গেও ম্যাচটিও মিস করবেন তিনি। ধারণা করা হচ্ছে ১৯ মার্চ ন্যু ক্যাম্পে কোপা দেল রে'র ফিরতি লেগের ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে মাঠে থাকতে পারবেন এ তরুণ। 

Comments

The Daily Star  | English

Lifts at public hospitals: Where Horror Abounds

Shipon Mia (not his real name) fears for his life throughout the hours he works as a liftman at a building of Sir Salimullah Medical College, commonly known as Mitford hospital, in the capital.

8h ago