ইউনাইটেডে একা হয়ে গেছেন টেন হাগ?

বায়ার্ন মিউনিখের কাছে হেরে ইউরোপ থেকে বিদায় নিয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দিয়ে গত মৌসুমটা খুব একটা খারাপ কাটেনি এরিক টেন হাগের। ছয় বছরের ব্যর্থতা ঘুচিয়ে ইউনাইটেডকে শিরোপা মুখ দেখিয়েছিলেন। জায়গা করে নিয়েছিলেন চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও। কিন্তু চলতি মৌসুম যেন একেবারেই উল্টো। এরমধ্যেই ইউরোপ থেকে ছিটকে গিয়েছে তার দল, প্রিমিয়ার লিগেও সংগ্রাম করছে দলটি।

ঘরের মাঠ ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে মঙ্গলবার রাতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে ০-১ গোলে হেরে ইউরোপের মঞ্চ থেকেই ছিটকে পড়েছে ইউনাইটেড। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টিকে থাকতে বেশ জটিল সমীকরণই ছিল তাদের সামনে। জয়ের সঙ্গে অন্য ম্যাচের ফলাফলও পক্ষে যেতে হতো। তার কিছুই হয়নি। তবে শেষ ম্যাচে জয় পেলে অন্তত ইউরোপা লিগ খেলতে পারতো ইউনাইটেড।

রেড ডেভিলদের এমন পরিস্থিতিতে টেন হাগের বেদনা বুঝতে পারছেন বায়ার্ন কোচ টমাস টুখেল। প্রিমিয়ার লিগের আরেক ক্লাব চেলসিতে থাকাকালীন সময়ে ক্লাবকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতিয়েও পরের মৌসুমে ছাঁটাই হয়েছিলেন তিনি। এর আগে পিএসজিতেও প্রায় একই পরিস্থিতি হয় তার। প্রথমবারের মতো ফরাসি ক্লাবটিকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে তুলে পরের মৌসুমে ছাঁটাই।

নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই হয়তো টেন হাগের প্রতি সহমর্মিতা দেখান টুখেল। কদিন আগেই ফ্র্যাঙ্কফুর্টের বিপক্ষে বিধ্বস্ত হওয়ার বিষয়টি তুলে বলেন, 'আমার উপদেশ বা তার কাঁধ চাপড়ে দেওয়ার দরকার নেই, তিনি এসবের মধ্য দিয়ে যেতে যথেষ্ট অভিজ্ঞ। গত শনিবার আমার একটি ভালো মুহূর্ত ছিল না। কখনও কখনও আপনি একজন কোচ হিসাবে বেশ একাকী বোধ করবেন।'

ইউনাইটেডে অবশ্য এমন দৃশ্য নতুন নয়। এর আগে স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের অধীনেও ২০০৫-০৬ মৌসুমে এমনটা হয়েছিল তাদের। ২০১৪-১৫ মৌসুমেও ইউরোপ থেকে ছিটকে যায় তারা। তারপরও এই সব পরিসংখ্যান নিয়ে কোনো অবস্থাতেই বর্তমান ব্যর্থতা ঢাকতে পারবেন না টেন হাগ।

তবে দলের এমন অবস্থায় হতাশ এই ডাচ কোচও, 'আমাদের ম্যাচে সুযোগ ছিল। আমরা মাঝেমধ্যে ব্যক্তিগত কিছু ত্রুটির কারণে পারছি না। একজন খেলোয়াড় নয়, অনেক খেলোয়াড়েরই। আমরা প্রতিপক্ষকে সুযোগ দিয়েছি। আমাদের খুব ভালো স্পেল ছিল কিন্তু আসল কথা হল আমরা পর্যাপ্ত পয়েন্ট পাইনি। আমরা হতাশ। আমাদের আরও ভালো করা উচিত ছিল।'  

Comments

The Daily Star  | English
Fire exits horrifying at many city eateries

Fire exits horrifying at many city eateries

Just like on Bailey Road, a prominent feature of Banani road-11, Kamal Ataturk Avenue, Satmasjid Road, Khilagon Taltola and Mirpur-11 traffic circle are tall buildings that house restaurants, cafes and commercial kitchens on every floor.

10h ago