ফুটবল

চোট কাটিয়ে জাপানে খেলতে পারবেন মেসি?

হংকং একাদশের বিপক্ষে মাঠে না নামায় সমর্থকদের দুয়ো শুনতে হয়েছিল মেসিকে

লিওনেল মেসিকে মাঠে দেখতে স্টেডিয়াম ছিল কানায়কানায় পূর্ণ। কিন্তু চোটের কারণে মাঠেই নামেননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। এ নিয়ে হংকংয়ের সমর্থকদের রোষানলে পড়েন। টিকিটের টাকা ফেরত চেয়ে দুয়োও দেওয়া হয় তাকে। তবে চোট থেকে পুরোপুরি সেরে না উঠলেও ভালো বোধ করছেন মেসি। জাপানে খেলার ইঙ্গিত দিয়েছেন ইন্টার মায়ামির এই তারকা।

এশিয়া সফরে সৌদি আরবে আল-হিলালের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে চোট পান মেসি। পরের ম্যাচে আল-নাসরের বিপক্ষে শুরুতে মাঠে নামেননি। ম্যাচের একেবারে শেষদিকে নামেন। কিন্তু হংকং একাদশের বিপক্ষে নামেননি। আগের দুই ম্যাচ হারলেও সে ম্যাচে তার দল জয় ৪-১ গোলের ব্যবধানে।

আগামীকাল জাপানে ভিসেল কোবের বিপক্ষে মাঠে নামবে মেসির দল মায়ামি। এই ম্যাচেও সমর্থকরা মেসিকে মাঠে দেখার জন্য উদগ্রীব। কিন্তু শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। অন্তত সংবাদ সম্মেলনে যা বলেছেন তাতে নিশ্চিত হতে পারছেন না তারা। যদিও মাঠে নামার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন মায়ামি অধিনায়ক।

'আজ বিকেলে আমরা অনুশীলন করব। আমি আবার চেষ্টা করব। সত্যি হচ্ছে, আমি গত কয়েক দিনের তুলনায় আমি অনেক ভালো বোধ করছি। সবকিছু নির্ভর করছে অনুশীলনে কেমন বোধ করি, তার ওপর। সত্যি বলছি, (ভিসেল কোবের) বিপক্ষে খেলতে পারব কি না, তা এখনো জানি না। কিন্তু আমি আগের চেয়ে ভালো বোধ করছি এবং খেলতে চাই,' সংবাদ সম্মেলনে বলেন মেসি।

হংকংয়ে খেলতে পারেননি বলে দুঃখপ্রকাশও করেছেন তিনি, 'আমি যে হংকং ম্যাচে খেলতে পারিনি, এটা দুঃখজনক। আমি সব সময়ই খেলতে চাই। বিশেষ করে আমরা যখন সফর করি এবং মানুষ আমাদের ম্যাচ দেখার জন্য উন্মুখ থাকে। আশা করছি আমরা আবার আসব এবং আরেকটা ম্যাচ খেলব আর আমি সেখানে থাকব। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, আমার খেলতে না পারাটা দুঃখজনক।'

ম্যাচে না থাকলেও হংকংয়ে অনুশীলন করেছিলেন মেসি। সে প্রসঙ্গে এই মহাতারকা বলেন, 'হংকংয়ে আমরা উন্মুক্ত অনুশীলন করি এবং আমি সেই অনুশীলনে ছিলাম। কারণ, অনেক মানুষ সেখানে এসেছিল। এ ছাড়া শিশুদের নিয়েও একটা পর্ব ছিল। আমি সেখানে থাকতে চেয়েছি এবং অংশ নিতে চেয়েছি। কিন্তু সত্যি হচ্ছে, আমার অস্বস্তি ছিল এবং খেলাটা আমার জন্য কষ্টকরই ছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ফুটবলে এমন ঘটনা যেকোনো ম্যাচেই হতে পারে। আমাদের চোট থাকতে পারে। আমার ক্ষেত্রে এটাই হয়েছে।'

Comments

The Daily Star  | English

St Martin’s Island get food, essentials after 9 days

The tourist ship Baro Awlia left a Teknaf jetty this afternoon ferrying the goods, to ease the ongoing food crisis on the island due to the conflict in Myanmar

18m ago