বায়ার্নে চুক্তি নবায়ন করতে চান না মুসিয়ালা

বর্তমান বিশ্বে যে সকল তরুণ খেলোয়াড় নজর কেড়েছেন তাদের মধ্যে জামাল মুসিয়ালা অন্যতম। বর্তমানে বায়ার্ন মিউনিখের প্রাণভোমরাই এই তরুণ। স্বাভাবিকভাবে তাকে ধরে রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে জার্মান ক্লাবটি। কিন্তু এই ক্লাবের সঙ্গে নতুন করে চুক্তি করতে আগ্রহী হন তিনি।

আগামী ২০২৬ সালের গ্রীষ্মেই বায়ার্নের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ ফুরবে মুসিয়ালার। তাই তাকে ধরে রাখতে নতুন চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে ক্লাবটি। কিন্তু আপাতত এই ক্লাবের সঙ্গে নতুন চুক্তির কথা ভাবছেন না তিনি। সম্প্রতি জার্মান সংবাদমাধ্যম স্পোর্ট বিল্ডকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন এই তরুণ।

'অদূর ভবিষ্যতে কোন খবর হবে না। আমরা ইদানীং অনেক ম্যাচ খেলেছি, আমরা অনেক ভ্রমণ করেছি। এখন আমার লক্ষ্য ম্যাচগুলোতে ফোকাস করা। বাহির থেকে অনেক চাপ থাকলেও আমি মাঠে মুক্ত থাকতে চাই,' স্পোর্ট বিল্ডকে এমনটাই বলেছেন মুসিয়ালা।

তবে বায়ার্নের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করার বিষয়টি একেবারেই উড়িয়ে দেননি ২১ বছর বয়সী এই তরুণ। সামগ্রিকভাবে, সমস্ত পরামিতি তার জন্য সঠিক হলে তার সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে বলে জানান তিনি, 'আমি যদি বায়ার্নের সঙ্গে আমার চুক্তি পুনর্নবীকরণ করি, তবে এটি হবে আমার উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং আমার লক্ষ্য।'

কোন দলে যোগ দিতে চান জানতে চাইলে বলেন, 'যখন আমি ছোট ছিলাম, তার (মেসির) বেশ কয়েকটি জার্সি ছিল এবং সবসময় মেসিরই পরতাম। আমার কাছে নেইমারেরও একটি ছিল, কিন্তু মেসি ছিলেন আমার নায়ক, আমার প্রিয় খেলোয়াড়।'

আর এই আর্জেন্টাইনের জন্য বার্সেলোনার প্রতি আলাদা দুর্বলতা কাজ করে বলেও জানান এই তরুণ, 'আমার পছন্দের দল ছিল বার্সেলোনা, আমার প্রিয় দল। মেসির সঙ্গে জাভি, ইনিয়েস্তা এবং বুসকেতসের মাঝমাঠের খেলা আমাকে মুগ্ধ করেছিল। আমি তাদের খেলা দেখতে পছন্দ পারতাম এবং এখনও করি।'

তবে প্রশ্ন হচ্ছে মুসিয়ালা চাইলেও বার্সেলোনা তাকে নিতে আগ্রহী হবে কি-না। ২০২৬ সালের গ্রীষ্মে তাকে বিনে পয়সায় নিতে পারবে কাতালানরা। কিন্তু এই একই পজিশনে পেদ্রি ও দানি ওলমোর মতো খেলোয়াড় রয়েছে তাদের। তবে বার্তাটা ঠিকই দিয়ে রেখেছেন মুসিয়ালা।

Comments

The Daily Star  | English
Remittance Earnings of Four South Asian Countries

Bangladesh back in South Asia remittance race

Bangladesh has returned to a competitive remittance growth path in line with its South Asian neighbours, with a larger-than-usual flow of money sent home by expatriates following the political changeover in August last year.

11h ago