বিপিএল ২০২৩

ভারসাম্যপূর্ণ দল নিয়ে লড়াইয়ে থাকবে খুলনা

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে বেশ আগেই নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন তামিম ইকবাল। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে ভীষণ সম্পৃক্ত তিনি। গেল আসরে ঢাকার ফ্র্যাঞ্চাইজিতে খেলা বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক এবার আছেন খুলনা টাইগার্সে। তবে চমক দেখিয়ে অধিনায়কত্ব পেয়েছেন ইয়াসির আলি রাব্বি। টি-টোয়েন্টি জাতীয় দলের তারকাদের ভিড় না থাকলেও তাদের স্কোয়াড বেশ ভারসাম্যপূর্ণ।
ছবি: ফিরোজ আহমেদ

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে বেশ আগেই নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন তামিম ইকবাল। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে ভীষণ সম্পৃক্ত তিনি। গেল আসরে ঢাকার ফ্র্যাঞ্চাইজিতে খেলা বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক এবার আছেন খুলনা টাইগার্সে। তবে চমক দেখিয়ে অধিনায়কত্ব পেয়েছেন ইয়াসির আলি রাব্বি। টি-টোয়েন্টি জাতীয় দলের তারকাদের ভিড় না থাকলেও তাদের স্কোয়াড বেশ ভারসাম্যপূর্ণ।

সরাসরি চুক্তিতে তামিম ছাড়াও খুলনা নিয়েছে শ্রীলঙ্কানর আভিস্কা ফার্নান্দো এবং পাকিস্তানের ওয়াহাব রিয়াজ, নাসিম শাহ ও আজম খানকে। নাসিমকে টুর্নামেন্টের শুরুতে পাবে না তারা। বাকিরা থাকবেন শুরু থেকে। তবে রিয়াজের পারফরম্যান্স নিয়ে সংশয় থাকছে। ৩৭ পেরুনো পেসার অনেক আগেই নিজের সেরা সময় পেরিয়ে এসেছেন। যদিও বাংলাদেশের উইকেট চেনা থাকায় তার উপর ভরসা খুলনার। নাসিম নিশ্চিতভাবেই দলটির ট্র্যাম্প কার্ড হতে পারেন। তবে মিরপুরের উইকেটে গতিময় এই পেসার কী করেন তা কৌতূহলের। সাধারণত বল থেমে আসে এমন উইকেটে গতিময় পেসারদের কৌশলী না হলে ভালো করা খুব কঠিন।

আভিস্কা আর আজম খুলনার ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড হতে পারেন। উপরের দিকে খেলেন দুজনেই। বাঁহাতি আভিস্কা সম্ভবত ওপেনিংয়ের তামিমের সঙ্গী হবেন। পাকিস্তানি আজম ব্যাট হাতে ঝড় তুলতে বেশ পারঙ্গম। ওপেনিংয়ের জন্য খুলনায় আরও আছেন মুনিম শাহরিয়ার। গত বিপিএলে ফরচুন বরিশালে আলো ছড়ানো এই ডানহাতি বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে বেশ কার্যকর।

মিডল অর্ডারে খুলনার ভরসা দলনেতা ইয়াসির। আছেন সাব্বির রহমানও। তবে ইয়াসিরের উপরই থাকবে বেশি দায়িত্ব। এমনিতে টপ অর্ডারে খেললেও মাহমুদুল হাসান জয়কে মিডল অর্ডারেও কাজে লাগাতে পারে তারা। প্লেয়ার্স ড্রাফট থেকে খুলনা দলে নিয়েছে শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শানাকাকে। টুর্নামেন্টে বড় প্রভাব ফেলতে পারেন তিনি। মিডল অর্ডারে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি প্রয়োজন মিডিয়াম পেসে রাখতে পারেন ভূমিকা।

খুলনার বড় শক্তির জায়গা হতে পারেন পেস অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। দেশের কন্ডিশনে তার বোলিং বরাবরই কার্যকর। ব্যাট হাতেও নিচের দিকে তিনি রাখতে পারেন অবদান। স্পিন বিভাগের নেতৃত্বে থাকা বাঁহাতি নাসুম আহমেদকে নিয়ে একই কথা বলা চলে। জাতীয় দলের এই ক্রিকেটার মিরপুর, চট্টগ্রাম ও সিলেটের উইকেটে বিষাক্ত। পাওয়ার প্লেতে রান আটকে রাখার কাজটা তিনি করেন দারুণভাবে।

দলটির কৌশল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবেন খালেদ মাহমুদ সুজন। গেল আসরে বরিশালের কোচ থাকা প্রভাবশালী এই ক্রিকেট ব্যক্তিত্ব এবার আছেন খুলনায়। আগামীকাল শনিবার মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঢাকা ডমিনেটর্সের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে খুলনা টাইগার্সের বিপিএল।

খুলনা টাইগার্স

ইয়াসির আলি রাব্বি (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, নাসুম আহমেদ, নাহিদুল ইসলাম, মুনিম শাহরিয়ার, সাব্বির রহমান, শফিকুল ইসলাম, প্রীতম কুমার, হাবিবুর রহমান সোহান, মাহমুদুল হাসান জয়, মুশফিক হাসান, নাহিদ রানা, আভিস্কা ফার্নান্দো (শ্রীলঙ্কা), ওয়াহাব রিয়াজ (পাকিস্তান), নাসিম শাহ (পাকিস্তান), আজম খান(পাকিস্তান), দাসুন শানাকা (শ্রীলঙ্কা), পল মিকেরেন (নেদারল্যান্ডস), অ্যান্ডি ব্যালবার্নি (আয়ারল্যান্ড), ফখর জামান (পাকিস্তান), শারজিল খান (পাকিস্তান), আমাদ বাট (পাকিস্তান)।

Comments