এশিয়া কাপ ২০২২

বাংলাদেশই স্পষ্ট ফেভারিট: সোহান

আর কিছুক্ষণ পরই মাঠে নামছে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা। এ লড়াইয়ে যারা জিতবে তারাই টিকে থাকবে এ আসরে। তবে লড়াইয়ের আগে দুই দলই জড়িয়েছে বাকযুদ্ধে। এক দল অন্য দলের চেয়ে শক্তিশালী দাবি করে আসছে তারা। এবার সেখানে যোগ দিলেন নুরুল হাসান সোহান। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশ স্পষ্ট ফেভারিট বলেই দাবি করেছেন তিনি।

আর কিছুক্ষণ পরই মাঠে নামছে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা। এ লড়াইয়ে যারা জিতবে তারাই টিকে থাকবে এ আসরে। তবে লড়াইয়ের আগে দুই দলই জড়িয়েছে বাকযুদ্ধে। এক দল অন্য দলের চেয়ে শক্তিশালী দাবি করে আসছে তারা। এবার সেখানে যোগ দিলেন নুরুল হাসান সোহান। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশ স্পষ্ট ফেভারিট বলেই দাবি করেছেন তিনি।

এশিয়া কাপের মিশনে এবার সতীর্থদের সঙ্গেই থাকার কথা ছিল সোহানের। এমনকি নেতৃত্বের আর্মব্যান্ড হাতে থাকাও অস্বাভাবিক কিছু ছিল না। কিন্তু অনাকাঙ্ক্ষিত ইনজুরিতে আসর থেকে ছিটকে যান তিনি। আঙুলের অস্ত্রোপচারের কারণে মাঠের বাইরে থাকলেও সতীর্থদের খেলার খবর রাখছেন নিয়মিত। এমনকি দুই দলের বাকযুদ্ধও হয়তো এড়ায়নি তার চোখ। যে কারণেই হয়তো আগুনে আরেকটি ঘি ঢেলে দিলেন এ উইকেটরক্ষক-ব্যাটার।

সামাজিকমাধ্যম টুইটারে শ্রীলঙ্কার চেয়ে নিজেদের এগিয়ে রেখে জিম্বাবুয়ে সফরে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেওয়া সোহান লিখেছেন, '২০২২ এশিয়া কাপে আজ রাতে আমরাই স্পষ্ট ফেভারিট। আমাদের প্রথম-শ্রেণীর বোলিং, ব্যাটিং এবং দলীয় প্রচেষ্টা চালানোর আগে এটি কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র, ইন শা আল্লাহ। দেখা যাক মাঠে ভালো কারা দল।'

তবে পরিসংখ্যান অবশ্য শ্রীলঙ্কার কথাই বলছে। মুখোমুখি ১২টি লড়াইয়ে আটবারই জিতেছে লঙ্কানরা। এমনকি সার্বিক জয়ে তারাই এগিয়ে। এখন পর্যন্ত ১৬০টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৭০টিতে জিতেছে তারা। অন্যদিকে ১৩২ ম্যাচ খেলে বাংলাদেশের জয় মাত্র ৪৫টিতে। এ সংস্করণে এখনও বলার মতো কিছুই করে দেখাতে পারেনি টাইগাররা।

এশিয়া কাপে এবার এর আগে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা একটি করে ম্যাচ খেলেছে। দুই দলের প্রতিপক্ষই ছিল আফগানিস্তান। অবশ্য তাদের বিপক্ষে কেউই সুবিধা করে উঠতে পারেনি। সহজেই জয় পেয়েছে আফগানরা। তাই দুই দলের মধ্যকার এ লড়াইটা তৈরি হয়েছে অলিখিত ফাইনালে।

Comments

The Daily Star  | English

Now, battery-run rickshaws to ply on Dhaka roads

Road, Transport and Bridges Minister Obaidul Quader today said the battery-run rickshaws and easy bikes will ply on the Dhaka city roads

29m ago