কোহলির ফিফটিতে ভারতের ১৮১

রোববার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৭ উইকেটে ১৮১ রান করেছে ভারত। দলের হয়ে ৪৪ বলে সর্বোচ্চ ৬০ রান করেছেন কোহলি।
Virat Kohli
৩২তম ফিফটির পর কোহলি ছবি: বিসিসিআই

শুরুতেই ঝড় তুলেছিলেন রোহিত শর্মা আর লোকেশ রাহুল। পাওয়ার প্লেতে ভালো শুরু এনে ফিরেন দুজনেই।  এক সময় মনে হচ্ছিল ভারত ছাড়িয়ে যাবে দুশোর ঘর। তবে সূর্যকুমার যাদব, রিশভ পান্ত, হার্দিক পান্ডিয়াদের ব্যর্থতার দিনে চাপে পড়া ভারতকে  বাকি পথে দলকে একাই টানেন বিরাট কোহলি। দারুণ ফিফটিতে লড়াইয়ের পুঁজি পাইয়ে দিয়েছেন তিনি।

রোববার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৭ উইকেটে ১৮১ রান করেছে ভারত। দলের হয়ে ৪৪ বলে সর্বোচ্চ ৬০ রান করেছেন কোহলি। টি-টোয়েন্টিতে ৩২তম ফিফটি করে বসেছেন চূড়ায়। 

ব্যাট করার জন্য সহায়ক উইকেটে টস হেরে ব্যাট করতে গিয়ে উড়ন্ত সূচনা আনেন রোহিত- রাহুল। নাসিম শাহকে প্রথম ওভারেই ছয়-চারে উড়ান রোহিত। পরের ওভারে মোহাম্মদ হাসনাইনের বল থেকেও আদায় করেন বাউন্ডারি।

নাসিমের করা তৃতীয় ওভারে দুই ছক্কা মারেন রাহুল। হারিস রউফের করা চতুর্থ ওভার থেকেও আসে ছক্কা-চারে আরও ১২ রান। মোহাম্মদ নাওয়াজ পাওয়ার প্লের পঞ্চম ওভারে দেন ৮ রান।

পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে ফিরেন রোহিত। রউফের বলে আরেকটি ছক্কার নেশায় উড়িয়েছিলেন। কিন্তু বল বাইরের কানায় লেগে উঠে যায় সোজা। অনেক উঁচুতে উঠা ক্যাচ নেওয়ার কাছে গিয়েছিলেন ফখর জামান। তিনি ধরতে না পারলে তার হাতে লেগে কাছে থাকা খুশদিলের হাতে তা জমে যায়।

১৬ বলে ২৮ করে ফেরেন রোহিত। ৫৪ রানে প্রথম উইকেট হারায় ভারত। পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে এসে যায় ৬২ রান।

পাওয়ার প্লে পার হতেই বিদায় নেন রাহুলও। শাদাব খানের বল লং অন দিয়ে উড়াতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে থামেন  ২০ বলে ২৮ করে।

মাঝের ওভারে জুটি গড়েন সূর্যকুমার যাদব-কোহলি। সূর্যকুমার শুরু করেছিলেন বাউন্ডারি দিয়ে। মারার তালে ছিলেন তিনি পুরোটা সময়। কিন্তু ইনিংসটা বড় করতে পারেননি ছন্দে থাকা ব্যাটার। নাওয়াজের বলে সুইপ করতে গিয়ে ধরা দেন স্কয়ার লেগ বাউন্ডারিতে। কোহলি দলকে রাখছিলেন পথে, রানের চাকা জুতসই করতে সচল রাখেন ব্যাট।

ভারতের দুইশো ছাড়নোর আশা মিইয়ে যায় ১৫ ওভারের আগে। রিশভ পান্ত গুরুত্বপূর্ণ ফেইজে নেমে নিজের কার্যকারিতা প্রমাণ করতে পারেননি। অনেকগুলো ডট বল খেলে ফেরেন ১২ বলে ১৪ করে। আগের ম্যাচে হিরো হার্দিক পান্ডিয়া এদিন ব্যর্থ। মাত্র দুই বল ঠিকেছেন, কোন রান না করেই ভারতের সেরা পেস অলরাউন্ডার। মোহাম্মদ হাসনাইনের বলে আলতো শটে ক্যাচ দেন মিড অনে।

হার্দিকের আউটে বিপদ ঘনিয়ে আসে । তবে দলকে চ্যালেঞ্জিং অবস্থায় রাখতে কোহলি দেন ভরসা। ছন্দে ফেরা ভারতের সেরা ব্যাটার ৩৬ বলে ছক্কা মেরে পৌঁছান ফিফটিতে। দীপক হুডা নেমে কিছু রান বের করছিলেন। ১৯তম ওভারে ছক্কা মারতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনে ধরা দেন তিনি। শেষ ওভার পর্যন্ত টিকে দলকে ভালো জায়গায় নেওয়ার দায় ছিল কোহলির। রান আউটে কাটা পড়ার আগে সেরাটা নিংড়ে তিনি সেই কাজটা করে গেছেন।

শেষ ওভারের প্রথম তিন বল থেকে ১ রান দিয়েছিলেন নাসিম। চতুর্থ বলে রান আউটে ফেরেন কোহলি। কিন্তু শেষ দুই বলে ফিল্ডিং ব্যর্থতায় দুই বাউন্ডারি পেয়ে যায় ভারত। রবি বিষ্ণুইর মারা দুটি শটই ডিপ কাভারে মিস জাজড হয়ে বাউন্ডারি দেন ফখর।

Comments