পিছিয়ে পড়েও বেলিংহ্যাম-কেইনের গোলে জিতল ইংল্যান্ড

স্লোভাকিয়াকে হারিয়ে ইউরোর কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড

প্রথমার্ধের ২৫ মিনিট না যেতেই দারুণ এক গোলে লিড পেয়ে যায় স্লোভাকিয়া। সেই লিড তারা ধরে রেখেছিল শেষ পর্যন্ত। প্রথমবারের মতো কোনো মেজর টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে জয় দেখতে পাচ্ছিল দলটি। কিন্তু একেবারে অন্তিম মুহূর্তে স্লোভাক শিবির স্তব্ধ করে দেন জুড বেলিংহ্যাম। আর অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই হ্যারি কেইনের গোল। উল্টো জয় পেয়ে যায় ইংল্যান্ড।

রোববার রাতে জার্মানির অ্যারেনা অফশালকেতে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে স্লোভাকিয়াকে ২-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ গোলে ড্র হলে অতিরিক্ত সময়ে গড়ায় ম্যাচটি। সেখানে গোল করে শেষ আটের টিকিট নিশ্চিত করে ইংলিশরা।

ফেভারিটের তকমা গায়ে নিয়ে আসর শুরু করলেও গ্রুপ পর্বের পারফরম্যান্সে ব্যাপক সমালোচিত হয়েছিলেন ইংলিশ কোচ গ্যারেথ সাউথগেট। মাঝমাঠের তরুণ তুর্কি কোবি মাইনু ও কোল পালমারদের না খেলিয়ে আলেকজান্ডার-আর্নল্ডকে খেলিয়েছিলেন তিনি। এদিন তাকে বেঞ্চে রেখে শুরুর একাদশে রাখেন মাইনুকে। বদলি নামান পালমারকেও।

তবে তারপরও প্রথমার্ধে বেশ বিবর্ণই ছিল ইংলিশরা। দুই একটি বিচ্ছিন্ন আক্রমণ করলেও অ্যাটাকিং থার্ডে খেই হারায় ফরোয়ার্ডরা। গোলও হজম করে দলটি। তবে বিরতির পর অবশ্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা করে তারা। সাফল্য পায় যোগ করা সময়ের শেষ মুহূর্তে। অসাধারণ এক গোলে দলকে সমতায় ফিরিয়ে ইংলিশদের টিকিয়ে রাখেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা বেলিংহ্যাম।

এদিন ম্যাচের ২৫তম মিনিটে ইংলিশদের থমকে দেন ইভান শারাঞ্জ। সতীর্থের হাওয়ায় ভাসানো পাসে লাফিয়ে উঠে শারাঞ্জকে দারুণ এক পাস দেন ডেভিড স্ট্রেলেক। বল পেয়ে রক্ষণভাগের বাধা এড়িয়ে দারুণ ফিনিশিংয়ে গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডকে পরাস্ত করেন স্লাভিয়া প্রাগের এই ফরোয়ার্ড।

দ্বিতীয়ার্ধের পঞ্চম মিনিটেই অবশ্য স্লোভাকিয়ার জালে বল পাঠিয়েছিলেন ফিল ফোডেন। তবে অফসাইডের কারণে গোল মিলেনি। তবে চাপ অব্যাহত রাখে দলটি। নির্ধারিত সময় শেষে যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে মার্ক গুয়েহির হেড থেকে বল পেয়ে দুর্দান্ত এক ব্যাকভলিতে লক্ষ্যভেদ করেন বেলিংহ্যাম।

ম্যাচে ফিরে উজ্জীবিত ইংলিশরা লিড আদায় করে নেয় দ্রুতই। অতিরিক্ত সময়ের পঞ্চম মিনিটে কর্নার থেকে ডি-বক্সে বদলি খেলোয়াড় ইভান টনির হেড থেকে ফাঁকায় বল পেয়ে আরও একটি হেডে বল জালে পাঠান কেইন। সেই গোলই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়। এরপর অনেক চেষ্টা করেও সমতায় ফিরতে পারেনি স্লোভাকিয়া।

Comments