মনে হয় না খুব বেশি একটা খারাপ বল করেছি: সাকিব

তার বোলিং ফিগার বেশ খরুচেই দেখাচ্ছে। বাংলাদেশ অধিনায়ক তবু নিজের বোলিং নিয়ে উদ্বেগের কোন জায়গা দেখছেন না।
Shakib Al Hasan
ফাইল ছবি

প্রথম ১০ ওভারে বল হাতে দেখা যায়নি সাকিব আল হাসানকে। ক্রিজে তখন দুই বাঁহাতি কুইন্টেন ডি কক ও রাইলি রুশো তুলছেন ঝড়। একাদশ ওভারে বল হাতে নিয়েই ২১ রান দেন সাকিব। পরের দুই ওভারে রাশ টেনে ধরতে পারলে তার বোলিং ফিগার বেশ খরুচেই দেখাচ্ছে। বাংলাদেশ অধিনায়ক তবু নিজের বোলিং নিয়ে উদ্বেগের কোন জায়গা দেখছেন না।

সিডনিতে বৃহস্পতিবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের স্বস্তির জায়গা ছিল সীমিত। রাইলি রুশোর ব্যাটের ২০৫ রান আসার পর নিজেরা করতে পারেন কেবল ১০১ রান। ১০৪ রানের বিশাল হারের পর অনেক সমস্যাই প্রকাশ্য হয়ে যায়। সাকিবের বোলিংও তেমনই।

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ৪ ওভারে ৩২ রান দিয়ে ১ উইকেট পেয়েছিলেন সাকিব। এদিন ৩ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে তিনি পান ২ উইকেট।

একাদশ ওভারে বল করতে এসে  প্রথম তিন বলে দেন ৩ রান। চতুর্থ বলে তাকে বাউন্ডারিতে পাঠান রুশো। পরের বলে স্লগ সুইপে গ্যালারিতে পাঠান প্রোটিয়া বাঁহাতি। এরপরের বল হাত ফস্কে বিমার হয়ে যায় সাকিবের। নো বলের ঠিকানাও হয় গ্যালারিতে। শেষ বলে আসে ১ রান। ওভারে ২১।

প্রথম তিন বলে দেন ৩ রান। চতুর্থ বলে তাকে বাউন্ডারিতে পাঠান রুশো। পরের বলে স্লগ সুইপে গ্যালারিতে পাঠান প্রোটিয়া বাঁহাতি। এরপরের বল হাত ফসকে বিমার হয়ে যায় সাকিবের। নো বলের ঠিকানাও হয় গ্যালারিতে। শেষ বলে আসে ১ রান। ওভারে ২১। তৃতীয় ওভারটি ভাল করার পরও তার ইকোনমি ১১। সংবাদ সম্মেলনে সাকিব অবশ্য নিজের বোলিংয়ে সব ঠিকঠাকই দেখছেন,  'আমার কাছে মনে হয় না খুব বেশি একটা খারাপ বল করেছি। রাইলি রুশো বা আর কোন ব্যাটার একটা বাউন্ডারিও মারতে পারেনি। রুশো আজ যেভাবে ব্যাট করেছে আমার মনে হয় না আমাদের কোন বোলারকে ফেইস করতে ওর ডিফিকাল্টিজ ছিল। কাজেই আমি বোলিং নিয়ে উদ্বিগ্ন না।'

দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ বোলার হিসেবে প্রথম ১০ ওভারের মধ্যে তার বল করতে আসা ছিল প্রত্যাশিত। কিন্তু ক্রিজে দুই বাঁহাতি থাকলে অনেক সময়ই নিজেকে বল করা থেকে দূরে রাখেন তিনি। তবে এবার ম্যাচআপের পাশাপাশি মাঠের আকৃতিও তার পরে বল করতে আসায় রেখেছে ভূমিকা,  'এইগুলা নিয়ে একটু চিন্তা তো করতেই হয় (ম্যাচআপ)। কোনদিন সফল হবো, কোনদিন হবো না। যেহেতু সাইড বাউন্ডারি ছোট ছিল অনেক কিছু চিন্তা করতে হচ্ছিল। যেহেতু মোস্তাফিজ আর আমার বোলিংয়ের প্যাটার্ন এক রকম। দুইজন এক প্রান্ত থেকে করাটাও কঠিন। এমন না যে ওরা ছিল (বাঁহাতি দুজন) দেখে আগে বল করতে আসিনি। পরিস্থিতি অনুযায়ী সপ্তম বা অষ্টম ওভারে আমার আসার কথা ছিল। কিন্তু সাইড বা সবকিছু চিন্তা করে মনে হয়েছে আরেকটু পরে বা একটা উইকেট পড়লে পরে এলে ভালো হয়। আমাদের পরিকল্পনায় ভুল ছিল না, প্রয়োগে ভুল হয়েছে।'

Comments

The Daily Star  | English
IMF loan conditions

3rd Loan Tranche: IMF team to focus on four key areas

During its visit to Dhaka, the International Monetary Fund’s review mission will focus on Bangladesh’s foreign exchange reserves, inflation rate, banking sector, and revenue reforms.

11h ago