ইংলিশদের বিশ্বকাপ জয়ে আয়ারল্যান্ডের কৃতিত্ব দেখছেন স্টোকস

উড়ন্ত ছন্দে থেকেই এবারের বিশ্বকাপে যোগ দিয়েছিল ইংল্যান্ড। আফগানিস্তানকে হারিয়ে শুরুটাও হয় দারুণ। কিন্তু পরের ম্যাচেই তাদের মাটিতে নামিয়ে আনে আয়ারল্যান্ড। সে হারে বড় ধাক্কা খায় দলটি। বুঝতে পারে নিজেদের ভুলগুলো। সেটাই পরবর্তী পথকে মসৃণ করতে দারুণ সাহায্য করেছে বলে মনে করেন বেন স্টোকস। তাই শিরোপা জয়ে আইরিশদের অবদানও দেখছেন এ অলরাউন্ডার।

উড়ন্ত ছন্দে থেকেই এবারের বিশ্বকাপে যোগ দিয়েছিল ইংল্যান্ড। আফগানিস্তানকে হারিয়ে শুরুটাও হয় দারুণ। কিন্তু পরের ম্যাচেই তাদের মাটিতে নামিয়ে আনে আয়ারল্যান্ড। সে হারে বড় ধাক্কা খায় দলটি। বুঝতে পারে নিজেদের ভুলগুলো। সেটাই পরবর্তী পথকে মসৃণ করতে দারুণ সাহায্য করেছে বলে মনে করেন বেন স্টোকস। তাই শিরোপা জয়ে আইরিশদের অবদানও দেখছেন এ অলরাউন্ডার।

রোববার মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে পাকিস্তানকে পাঁচ উইকেটে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ইংলিশ বোলারদের তোপে আট উইকেটে ১৩৭ রানের বেশি করতে পারেনি পাকিস্তান। জবাবে শুরুতে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েও স্টোকসের ব্যাটে এক ওভার হাতে রেখে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় জস বাটলারের দল। ৫২ রানের ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন স্টোকস।

ম্যাচ শেষে আইরিশদের কাছে হারের বিষয়টি তুলে আনেন এ অলরাউন্ডারই, 'প্রতিযোগিতায় শুরুতে সেই হারে (আয়ারল্যান্ডের কাছে হার) আমরা ভুলগুলো বুঝতে পেরেছিলাম। এই ধরনের টুর্নামেন্টে আপনার জন্য সবকিছু সহজ হবে না। পথে সামান্য বাঁধা থাকবে। আয়ারল্যান্ডকে কৃতিত্ব দিতে হবে আমাদেরকে হারানোর জন্য। তবে ভালো দলগুলো নিজেদের ভুল থেকে শিক্ষা নেয় এবং এটা (হার) তাদের প্রভাবিত করতে দেয় না।'

এদিন ইংলিশদের জয়ের ভিতটা গড়ে দেয় মূলত বোলাররাই। মাত্র ৩৭ রানের আটকে রাখে পাকিস্তানকে। বল হাতেও অবদান রেখেছেন স্টোকস। তবে পাক ব্যাটিং লাইন আপটা মূলত ধসিয়ে দেন স্যাম কারান। চার ওভার বল করে মাত্র ১২ রান খরচ করে নেন ৩টি উইকেট। আদিল রশিদ ও ক্রিস জর্দানও দারুণ বোলিং করেন। দুইজনই পান দুটি করে উইকেট। তাতেই লক্ষ্য হাতের নাগালে রাখতে সমর্থ হয় ইংলিশরা।

তাই বোলারদের কৃতিত্ব দিতেও ভোলেননি স্টোকস, 'ফাইনালে বিশেষকরে লক্ষ্য তাড়া করার সময়.. আপনি সম্ভবত আগের সব কঠোর পরিশ্রম ভুলে গেছেন, আমরা কীভাবে বোলিং করেছি, আদিল রশিদ এবং স্যাম কুরান আমাদের ম্যাচ জিতিয়েছে। এটি কঠিন একটি উইকেট এবং এমন একটি উইকেট যা আপনি কখনও অনুভব করতে পারবেন না। তাই তাদের ১৩০ রানের মধ্যে আটকে রাখার জন্য অনেক কৃতিত্ব নিতে হবে।'

Comments

The Daily Star  | English

Economy with deep scars limps along

Business and industrial activities resumed yesterday amid a semblance of normalcy after a spasm of violence, internet outage and a curfew that left deep wounds in almost all corners of the economy.

6h ago