আফিফকে বল ছোঁড়ায় শাহিনের শাস্তি

বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে আফিফ হোসেনকে বল ছুঁড়ে মেরেছিলেন শাহিন শাহ আফ্রিদি।
ছবি: ফিরোজ আহমেদ

বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে আফিফ হোসেনকে বল ছুঁড়ে মেরেছিলেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। এতে আইসিসির আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন পাকিস্তানের বাঁহাতি পেসার। তাই ম্যাচ ফির ১৫ শতাংশ জরিমানা গুণতে হবে তাকে। পাশাপাশি তার নামের পাশে যুক্ত হয়েছে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট।

রোববার নিজেদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শাস্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। গত ২৪ মাসের মধ্যে প্রথমবারের মতো ডিমেরিট পয়েন্ট পেলেন পাকিস্তানের তারকা।

শাহিনের বিরুদ্ধে আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ আনেন মাঠের দুই আম্পায়ার গাজী সোহেল ও সোহেল তানভীর, তৃতীয় আম্পায়ার মাসুদুর রহমান এবং চতুর্থ অফিসিয়াল শরফুদ্দৌলা ইবনে শহিদ। পরে শাস্তি অনুমোদন করেন আইসিসির আন্তর্জাতিক প্যানেলের ম্যাচ রেফারি নিয়ামুর রশিদ। শাহিন অপরাধ স্বীকার করায় আনুষ্ঠানিক কোনো শুনানির প্রয়োজন পড়েনি।

আগের দিন বাংলাদেশের ইনিংসের তৃতীয় ওভারে ঘটে শাহিনের মেজাজ হারানোর ঘটনাটি। মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে মাত্রই উইকেটে নেমেছিলেন বাঁহাতি আফিফ। বোলিংয়ে ছিলেন সময়ের অন্যতম সেরা বোলার শাহিন। মুখোমুখি হওয়া প্রথম বলেই দারুণ এক ছক্কা হাঁকান আফিফ। পরের ডেলিভারি ডিফেন্স করে ক্রিজের ভেতরেই ছিলেন তিনি।  কিন্তু বল ধরে আচমকা জোরালো থ্রো করেন শাহিন। পায়ে বল লাগলে আফিফ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ব্যথায় কুঁকড়ে যান। তবে শঙ্কা উড়িয়ে প্রাথমিক শুশ্রূষা নিয়ে ব্যাটিং চালিয়ে যান তিনি। শাদাব খানের বলে উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ানের তালুবন্দি হওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ২১ বলে ২০ রান।

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ১০৮ রানের মামুলি স্কোর গড়ে ৮ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। ফলে তিন ম্যাচের সিরিজ হাতছাড়া হয়ে গেছে তাদের। আগামীকাল একই ভেন্যুতে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে তারা।

Comments

The Daily Star  | English

Bangladeshi students terrified over attack on foreigners in Kyrgyzstan

Mobs attacked medical students, including Bangladeshis and Indians, in Kyrgyzstani capital Bishkek on Friday and now they are staying indoors fearing further attacks

4h ago