রোহিঙ্গাদের জন্য চীন ও ভারতের ৭৫৩ টন ত্রাণ পৌঁছেছে

নির্যাতনের মুখে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের জন্য ভারত ও চীনের পাঠানো ত্রাণসামগ্রীর দ্বিতীয় চালান এসে পৌঁছেছে। আজ সকালে দেশ দুটির প্রতিনিধিরা চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জিল্লুর রহমান চৌধুরীর কাছে ত্রাণ সামগ্রীগুলো হস্তান্তর করেছেন।
কক্সবাজারে ক্যাম্প থেকে ত্রাণ নিয়ে যাচ্ছেন এক রোহিঙ্গা নারী। ছবি: স্টার

নির্যাতনের মুখে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের জন্য ভারত ও চীনের পাঠানো ত্রাণসামগ্রীর  দ্বিতীয় চালান এসে পৌঁছেছে। আজ সকালে দেশ দুটির প্রতিনিধিরা চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জিল্লুর রহমান চৌধুরীর কাছে ত্রাণ সামগ্রীগুলো হস্তান্তর করেছেন।

ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে, চাল, ডাল চিনি, লবণ, রান্নার তেল, চা, বিস্কিট, গুড়ো দুধ, সাবান, মশারি, তাঁবু ও কম্বল।

রোহিঙ্গাদের জন্য ৭০০টন ত্রাণ নিয়ে আজ সকালে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ে ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজ আইএনএস ঘড়িয়াল। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা এই ত্রাণ হস্তান্তর করেন।

এছাড়াও চীনের একটি কার্গো বিমান আজ সকালে সাড়ে ৯টায় ৫৩ টন তাঁবু ও কম্বল নিয়ে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে অবতরণ করে। চীনা দূতাবাসের ইকোনমিক এন্ড কমার্শিয়াল কাউন্সিলর জেলা প্রশাসকের কাছে এসব ত্রাণ হস্তান্তর করেন। এখন পর্যন্ত দুই দফায় ১১০ দশমিক ৫৩ টন ত্রাণ পাঠিয়েছে চীন।

ভারতীয় হাই কমিশন থেকে দেওয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোহিঙ্গাদের জন্য সাত হাজার টন ত্রাণ পাঠাতে চেয়েছে ভারত সরকার। এর প্রথম চালানে দু’ দফায় গত ১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর বিমানে করে ১০৭টন ত্রাণ সামগ্রী পাঠিয়েছিল ভারত। আর আজ এলো ৭০০টন ত্রাণ।

কর্মকর্তারা জানান, রোহিঙ্গাদের জন্য এসব ত্রাণ আগামীকালের মধ্যে কক্সবাজারের উখিয়ায় পাঠানো হবে। আজ বিকাল ৪টা নাগাদ যুক্তরাজ্য থেকে ত্রাণ বহনকারী একটি বিমান এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান।

রোহিঙ্গাদের ত্রাণ ও পুনর্বাসনের জন্য গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

Click here to read the English version of this news

Comments

The Daily Star  | English

C&F staff halt work at 4 container depots

Staffers of clearing and forwarding (C&F) agents stopped working at four leading inland container depots (ICDs) in the port city since the early hours today following a dispute with customs officials, which eventually led to a clash between C&F staff and staff of an ICD

13m ago