বিদ্যুৎ ও জ্বালানি

ইউরেনিয়ামের চতুর্থ চালান রূপপুরে

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ইউনিটের জন্য সাতটি ব্যাচে ১৬৮টি অ্যাসেম্বলড ফ্রেশ নিউক্লিয়ার ফুয়েল এ বছরের মধ্যেই প্রকল্প এলাকায় পৌঁছাবে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। ফাইল ছবি: সংগৃহীত

কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের 'ফ্রেশ ফুয়েল' বা পারমাণবিক জ্বালানির (ইউরেনিয়াম) চতুর্থ চালান প্রকল্প এলাকায় পৌঁছেছে।

আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় এই চালান পৌঁছায় বলে দ্য ডেইলি স্টারকে নিশ্চিত করেছেন প্রকল্পের সাইট অফিস ইনচার্জ রুহুল কুদ্দুস।

তিনি জানান, গত তিন চালানের মতো চতুর্থ চালান পরিবহনেও নেওয়া হয় বিশেষ নিরাপত্তা প্রোটকল। সকাল ৯টা ৩৩ মিনিটে চালান প্রকল্প এলাকায় পৌঁছায়। আর আগে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পারমানবিক জ্বালানিবাহী বিশেষ বহর ঢাকা বিমানবন্দর থেকে প্রকল্প এলাকায় যাত্রা করে।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ইউনিটের জন্য সাতটি ব্যাচে ১৬৮টি অ্যাসেম্বলড ফ্রেশ নিউক্লিয়ার ফুয়েল এ বছরের মধ্যেই প্রকল্প এলাকায় পৌঁছাবে।

রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. শওকত আকবর এর আগে ডেইলি স্টারকে বলেন, 'প্রকল্পের শিডিউল অনুযায়ী ২০২৪ সালে প্রথম ইউনিটের কমিশনিং হবে। প্রথম ইউনিটের কমিশনিংয়ের জন্য ১৬৩টি অ্যাসেম্বলড ফুয়েল প্রয়োজন হবে। এজন্য সাতটি চালানে ১৬৮টি অ্যাসেম্বলড ফুয়েল এ বছরের মধ্যে দেশে এসে পৌঁছাবে।'

এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালান, ৬ অক্টোবর দ্বিতীয় চালান ও ১৩ অক্টোবর তৃতীয় চালানের জ্বালানি প্রকল্প এলাকায় এসে পৌঁছায়।

পারমানবিক জ্বালানি প্রকল্প এলাকায় পৌঁছানোর পর সেগুলো আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী আনলোড, যাচাই বাছাই ও পরিমাপ করে সংরক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানান প্রকল্পের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

পারমাণবিক জ্বালানি পরিবহনের জন্য শুক্রবার প্রকল্প এলাকায় যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়। পারমাণবিক জ্বালানি পরিবহনের সময় সেখানে যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়।

পাকশি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশিশ কুমার সান্যাল ডেইলি স্টারকে বলেন, 'পারমাণবিক জ্বালানি পরিবহনের সময় মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়। এজন্য সকালে কুষ্টিয়া-বনপারা মহাসড়কে ঘণ্টাখানেক যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়।'

Comments