জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে মাহমুদ আব্বাস ও ৮০ কর্মকর্তার ভিসা খারিজ

ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে নিউইয়র্কে আগামী মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে বাধা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বার্তায় বলা হয়, মাহমুদ আব্বাস ও আরও ৮০ ফিলিস্তিনি কর্মকর্তার ভিসা খারিজ হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ফিলিস্তিনি নেতাদের বিরুদ্ধে 'শান্তি প্রচেষ্টা'কে হেয় করা ও 'এক তরফা ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার' চেষ্টার অভিযোগ এনেছেন।
আজ বুধবার বিবিসি এ তথ্য জানিয়ে বলে, যুক্তরাষ্ট্রের এমন সিদ্ধান্তকে ইসরায়েল স্বাগত জানিয়েছে।
তবে জাতিসংঘের সদরদপ্তরে যাওয়ার ক্ষেত্রে সব দেশের নেতা ও কর্মকর্তাদের ভ্রমণ ভিসা দেওয়ার নীতি থেকে ওয়াশিংটনের সরে আসাকে 'অস্বাভাবিক' পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। আইন অনুসারে জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে যেকোনো দেশের নেতা-কর্মকর্তাদের ভিসা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা আছে। এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সেই দেশের সম্পর্ক কেমন তা বিবেচনায় রাখার কথা না।
আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের অধিবেশনে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি নিয়ে ফ্রান্সের আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার প্রেক্ষাপটে ফিলিস্তিনি নেতা ও কর্মকর্তাদের ভিসা নাকচ করা হলো। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এই প্রচেষ্টার বিরোধিতা করে আসছে।
জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত রিয়াদ মনসুর জানিয়েছিলেন, প্রেসিডেন্ট আব্বাস ফিলিস্তিনি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের এমন সিদ্ধান্তে মাহমুদ আব্বাসের কার্যালয় থেকে 'বিস্ময়' প্রকাশ করা হয়। বলা হয়, এটি আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ চুক্তির বরখেলাপ।
বর্তমানে ফিলিস্তিন জাতিসংঘে পর্যবেক্ষক হিসেবে আছে। ২০১২ সালে সাধারণ পরিষদে সর্বসম্মতিতে ফিলিস্তিনকে স্থায়ী পর্যবেক্ষকের মর্যাদা দেওয়া হয়।
Comments