২৩ মার্চ ১৯৭১: যেভাবে পাকিস্তান দিবস হয়ে উঠল প্রতিরোধ দিবস
২৩ মার্চ প্রতি বছর পালিত হতো পাকিস্তান দিবস হিসেবে। এদিন ভোরে দেশের সব সরকারি, আধা সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ভবনে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হতো, আয়োজিত হো কুচকাওয়াজ, সভা সমাবেশ ও নানা অনুষ্ঠান। ১৯৭১ সালের ২ মার্চ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলন। বঙ্গবন্ধু আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন সেবারের ২৩ মার্চ পাকিস্তান দিবস হিসেবে নয়, পালিত হবে প্রতিরোধ দিবস হিসেবে।
২৩ মার্চ ২০২৩, ০২:৫১ অপরাহ্ন
যেমন ছিল বঙ্গবন্ধুর জীবনের শেষ জন্মদিনটি
বঙ্গবন্ধুর জীবনের শেষ জন্মদিন ছিল ১৯৭৫ সালের ১৭ মার্চ। এই দিনটি ছিল বঙ্গবন্ধুর ৫৫তম জন্মবার্ষিকী। দিনটি ছিল উৎসবের আলোয় বর্ণিল।
১৭ মার্চ ২০২৩, ০৬:২০ পূর্বাহ্ন
১১ মার্চ: প্রথম রাষ্ট্রভাষা দিবস
ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় দখল করে আছে ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ। ১৯৪৯, ১৯৫০ ও ১৯৫১ সালে এই দিনটি পূর্ব পাকিস্তানে পালিত হয়েছিল ‘রাষ্ট্রভাষা দিবস’ হিসেবে। ভাষা আন্দোলনের প্রথম রাষ্ট্রভাষা দিবসের ৭৫তম বছরে রইল আজকের আয়োজন।
১৩ মার্চ ২০২৩, ০৩:৪২ অপরাহ্ন
কীর্ত্তিপাশা জমিদার বাড়ি ও তপন রায়চৌধুরীর শৈশবনামা
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারতীয় ইতিহাস ও সভ্যতা বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ছিলেন তপন রায়চৌধুরী। প্রচলিত আছে, ইতিহাস আর অর্থনীতির অধ্যাপকরা কাঠখোট্টা ও রাশভারী হন। কিন্তু অর্থনীতি ও ইতিহাসে ডাবল ডক্টরেট ডিগ্রিধারী তপন রায়চৌধুরী ছিলেন সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। হিউমারকে তিনি জড়িয়েছেন জীবনের সঙ্গে।
১০ মার্চ ২০২৩, ০৩:৩৭ অপরাহ্ন
কেমন কেটেছিল মুজিবের কালজয়ী ভাষণের দিন
'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ঘিরে কিছু ঘটনা ও বাংলাদেশ' বইয়ে পরমাণু বিজ্ঞানী এম এ ওয়াজেদ মিয়া স্মৃতিচারণ করেছেন, শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ৭ মার্চের দিনটি কীভাবে অতিবাহিত করেছিলেন। এম এ ওয়াজেদ মিয়া বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী।
৭ মার্চ ২০২৩, ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন
এক পলাশ রাঙা অধ্যায়
ভাষার দাবিতে ইতিহাসের সর্ববৃহৎ এই লং মার্চ ব্যর্থ হয়নি। ব্যর্থ হয়নি মানভূমের বাংলা ভাষা আন্দোলনও। পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বকালের দীর্ঘতম ভাষা আন্দোলন চলেছে ৪৪ বছর ধরে। ১৯১২ সালে শুরু হওয়া মানভূমের বাংলা ভাষা আন্দোলন শেষ হয় ১৯৫৬ সালে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে পুরুলিয়া জেলা সংযুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে।
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৩:২২ অপরাহ্ন
আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল ঢাকা
কিন্তু বাংলার বুদ্ধিজীবীদের তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর করাচিতে এক শিক্ষা সম্মেলনে উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। হঠকারী এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ৬ ডিসেম্বর বেলা ২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেলতলায় অধ্যাপক আবুল কাসেমের সভাপতিত্বে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দিয়েছিলেন মুনীর চৌধুরী, এ কে এম আহসান, কল্যাণ দাসগুপ্ত প্রমুখ। সভা শেষে এক বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে সেটিই ছিল সর্বপ্রথম প্রতিবাদ মিছিল।
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন
ঢাকার প্রথম শহীদ মিনার এবং পিয়ারু সরদার
২৩ ফেব্রুয়ারি ছাত্ররা শহীদ মিনার নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেন
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন
কথা বলতে পারলেও নিজের ভাষার বর্ণমালা চেনে না রাখাইন শিশুরা
প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে না পারায় ও ভাষাগত দূরত্বের কারণে তারা দিন দিন রাষ্ট্র ও সমাজ ব্যবস্থা থেকে পিছিয়ে পড়তে থাকে।
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন
একুশের বরকত: স্মৃতি-বিস্মৃতির অন্বেষণ
সালাম, বরকত, জব্বারদের রক্ত সমগ্র বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন
একুশের গানের জন্ম যেভাবে
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ছাত্রদের মিছিলে গুলি চালালে শহীদ হন সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, শফিউরসহ নাম না জানা অনেক ছাত্র। ঢাকা কলেজের ছাত্র ও দৈনিক সংবাদের অনুবাদক আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী ঢাকা মেডিকেলে গিয়েছিলেন আহত ছাত্রদের দেখতে। তিনি যখন ঢাকা মেডিকেলের বহির্বিভাগে ঢোকেন, দেখতে পান সেখানে পড়ে আছে জগন্নাথ কলেজের ছাত্র ভাষা শহীদ রফিকউদ্দিন আহমদের মরদেহ।
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৭:১৩ অপরাহ্ন
ভাষা আন্দোলনে সিলেট
ভাষা আন্দোলনের প্রবল ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছিল সিলেটের মাটিতেও। আঞ্চলিক বৈশিষ্ট্যের কারণে সিলেট বরাবরই ছিল স্বতন্ত্র, কিছুটা ভিন্ন।
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১১:০৫ পূর্বাহ্ন
ভাষা আন্দোলনে কক্সবাজার
কক্সবাজারে ভাষা আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন খালেদ মোশাররফ বীর উত্তম
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১১:১৫ পূর্বাহ্ন
ঢাকায় ছাত্রহত্যার সংবাদ পেয়ে উত্তাল দিনাজপুর
ভাষা আন্দোলনের তীব্র স্রোত পৌঁছে গিয়েছিল উত্তরের জনপদ দিনাজপুরেও। দিনাজপুর বরাবরই ছিল রাজনীতি সচেতন।
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৬:০০ পূর্বাহ্ন
২১ ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিল করেন এডওয়ার্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা
পাবনায় ভাষা আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ার ও সক্রিয় প্রভাব বিস্তারে স্থানীয় এডওয়ার্ড কলেজ এবং জেলা স্কুলের রাজনীতি সচেতন শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি প্রগতিশীল জনগণ অবদান রেখেছিলেন।
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন
ভাষা আন্দোলনে ময়মনসিংহ
ভাষা আন্দোলনের অগ্নি উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছিল ময়মনসিংহেও। ২ পর্বের ভাষা আন্দোলনে পূর্ব বাংলার যে কয়টি জেলায় আন্দোলন সমানতালে চলেছিল তার মধ্যে ময়মনসিংহ অন্যতম। মুসলিম লীগের প্রবল দাপট থাকা সত্ত্বেও ভাষা আন্দোলনে ময়মনসিংহ রেখেছে উল্লেখযোগ্য অবদান।
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৪:০৭ অপরাহ্ন
ঢাকায় ছাত্রহত্যার সংবাদ শুনে রাতেই বরিশালে মিছিল
২৭ ফেব্রুয়ারি গণপরিষদের বাংলাবিরোধী ভূমিকার প্রতিক্রিয়ায় বরিশাল মুসলিম ইনস্টিটিউটে ভাষাবিষয়ক জনসভার আয়োজন করা হয়। আলোচনাটি ছিল মূলত প্রতিবাদ সভা। সভায় খাজা নাজিমুদ্দিনের বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করা হয়।
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৯:১১ পূর্বাহ্ন
ঢাকায় ছাত্র হত্যার সংবাদ সেদিনই ওয়্যারলেসে খুলনায় পৌঁছে
কেন্দ্রীয় কর্মসূচি অনুযায়ী ১১ মার্চকে মূল দিন হিসেবে ধরে তা সফল করতে খুলনা শহরে পোস্টার লাগানো হয়। একই সঙ্গে দেয়ালে দেয়ালে ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ স্লোগান লেখা হয়।
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন
শহীদ সালামের রক্তমাখা জামা দেখে বিক্ষোভে উত্তাল পটুয়াখালী
ঢাকায় যখন ভাষা আন্দোলনকে ঘিরে নানা কর্মসূচি পালন করা হচ্ছিল, ঠিক সেসময় কবি খন্দকার খালেককে আহ্বায়ক ও জালাল উদ্দিন আহমেদকে যুগ্ম-আহ্বায়ক করে গঠন করা হয় ‘পটুয়াখালী রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’।
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন
মওলানা ভাসানী কুড়িগ্রামে ভাষা আন্দোলনকে উজ্জীবিত করেছিলেন
১৯৪৮ সালের মে মাসে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী কুড়িগ্রাম সফর করেন। এটি কুড়িগ্রামের নেতাকর্মীদের ভীষণভাবে উজ্জীবিত করেছিল। মওলানা ভাসানী তখন কুড়িগ্রাম সদর, বামনডাঙ্গা, ভুরুঙ্গামারিসহ বেশ কয়েকটি স্থানে জনসভা করেছিলেন। সেসময় তার সফরসঙ্গী ছিলেন শামসুল হক ও তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া।
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন