অর্থ আত্মসাৎ মামলায় চীনা নাগরিকসহ ৬ জনের কারাদণ্ড

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা মামলায় চীনা নাগরিকসহ ৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
ছবি: সংগৃহীত

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা মামলায় চীনা নাগরিকসহ ৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আজ বুধবার সকালে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মো. ইকবাল হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—দ্য সিনফা নিটার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান চীনা নাগরিক ইয়াং ওয়াং চুং, প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক খসরু আল রহমান, পরিচালক গোলাম মোস্তফা ও মনসুরুল হক, ন্যাশনাল ব্যাংক দিলকুশা শাখার প্রাক্তন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট (রপ্তানি) আব্দুল ওয়াদুদ খান এবং প্রাক্তন এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহাবুদ্দিন চৌধুরী।

আদালত সূত্র জানিয়েছে, ওয়াদুদ খান ও শাহাবুদ্দিন চৌধুরীকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের  কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ইয়াং ওয়াং চুং, খসরু, মনসুরুল ও মোস্তফাকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ২ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রায়ে আদালত বলেছেন, আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ রাষ্ট্রপক্ষ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করেছে। এ সময় আদালত শাহাবুদ্দিন ও ওয়াদুদের জামিন বাতিল করেন। সেই সঙ্গে তাদের কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ইয়াং ওয়াং চুং, খসরু, মনসুরুল ও মোস্তফা পলাতক থাকায় তাদের নামে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দিয়েছেন।

এ মামলায় মোট ১১ জনের সাক্ষ্য রেকর্ড করা হয়েছে।

এজাহার অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে জাল নথির মাধ্যমে দ্য সিনফা নিটার্স লিমিটেডের নামে ২ কোটি ৫৯ লাখ ৪০ হাজার ১৪৮ হাজার ঋণ নেন। পরবর্তীতে সেই টাকা আত্মসাৎ করেন।

ওই ঘটনায় দুদকের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে ২০১৭ সালের ১৭ জানুয়ারি মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ২৪ জুন দুদক আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। এর পরের বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর আদালত অভিযোগ গঠন করেন।

Comments

The Daily Star  | English

Bangladeshi students terrified over attack on foreigners in Kyrgyzstan

Mobs attacked medical students, including Bangladeshis and Indians, in Kyrgyzstani capital Bishkek on Friday and now they are staying indoors fearing further attacks

3h ago