শাজাহান খানের মামলায় যুগান্তরের সম্পাদক, প্রকাশকসহ ৩ জন খালাস

খালাসের আদেশের পর, সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী সালমা ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ধারাবাহিকভাবে তারা সত্য সংবাদ প্রকাশ করে গেছেন। তাদের হয়রানি করার জন্য মামলা করেছিলেন শাজাহান খান।
সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেদোয়ান আহমেদের জেল

সাবেক নৌ মন্ত্রী শাজাহান খানের করা মানহানির মামলায় দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক ও প্রকাশকসহ ৩ জনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত।

তারা হলেন যুগান্তরের প্রকাশক সালমা ইসলাম, সম্পাদক সাইফুল আলম ও রিপোর্টার জসিম চৌধুরী সবুজ। ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম রেজাউল করিম চৌধুরী আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন।

রায়ে বিচারক বলেন, বাদীপক্ষ অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

মামলার রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন না শাহজাহান খান।

খালাসের আদেশের পর, সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী সালমা ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ধারাবাহিকভাবে তারা সত্য সংবাদ প্রকাশ করে গেছেন। তাদের হয়রানি করার জন্য মামলা করেছিলেন শাজাহান খান।

এর আগে বাদী ও বিবাদীপক্ষ তাদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেন এবং আদালত মামলার বাদীসহ তার পক্ষের ৪ জন সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন। ২০১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার আরেকটি আদালত মামলায় অভিযোগ গঠন করেন।

মানহানিকর সংবাদ প্রকাশের অভিযোগে ২০১১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর শাজাহান খান এই মামলা করেছিলেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, 'অভিজ্ঞতা অর্জনের নামে নৌ মন্ত্রীর কোটি কোটি টাকা অপচয়', '১৪ বার বিদেশ সফর'শিরোনামে ২০১১ সালের ২৪ ও ২৫ আগস্ট প্রকাশিত সংবাদে তার মানহানি হয়।

সংবাদ প্রতিবেদনকে মিথ্যা ও বানোয়াট আখ্যায়িত করে শাহজাহান খান বলেন, রাজনৈতিক অঙ্গনে তার সুনাম, নাম ও খ্যাতি নষ্ট করার জন্য এসব সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।

Comments