গাছ কাটা নিয়ন্ত্রণে সরকারের প্রতি নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

রিট আবেদনে বলা হয়, ঢাকা শহরে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য প্রয়োজনীয় গাছের পরিমাণ দিন দিন কমে যাচ্ছে এবং সাম্প্রতিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও দুর্বিষহ করে তুলছে। সারাদেশে সামাজিক বনায়ন চুক্তিতে লাগানো গাছ কাটার কারণে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে।
high court
স্টার ফাইল ফটো

পরিবেশ রক্ষায় ঢাকাসহ সারাদেশে গাছ কাটা নিয়ন্ত্রণে সরকারের প্রতি নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছে একটি সংগঠন।

সাম্প্রতিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি সত্ত্বেও দেশের বিভিন্ন এলাকায় হাজারো গাছ কাটার খবর গণমাধ্যমে প্রকাশের পর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে অ্যাডভোকেট মনজিল মুরশিদ জনস্বার্থ মামলা হিসেবে আজ রোববার রিট আবেদনটি জমা দেন।

বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চে আগামীকাল আবেদনের শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন অ্যাডভোকেট মনজিল মুরশিদ।

রিট আবেদনে এইচআরপিবি দাবি করে, ঢাকা শহরে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য প্রয়োজনীয় গাছের পরিমাণ দিন দিন কমে যাচ্ছে এবং সাম্প্রতিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও দুর্বিষহ করে তুলছে।

তাছাড়া, সারাদেশে সামাজিক বনায়ন চুক্তিতে লাগানো গাছ কাটার কারণে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে। এটি বন্ধ করা না হলে বাংলাদেশের পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে আবেদনে বলা হয়।

এইচআরপিবি তাদের পিটিশনে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়কে ঢাকা ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিদ, পরিবেশ বিজ্ঞানী, পরিবেশ বিজ্ঞানের অধ্যাপকদের সমন্বয়ে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিতে হাইকোর্টকে অনুরোধ করেছে, যারা প্রয়োজন হলে ঢাকায় গাছ কাটার অনুমতি দেবে।

গাছ কাটা নিয়ন্ত্রণের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে সাত দিনের মধ্যে একটি সার্কুলার দিতে এবং জেলা পরিবেশ কর্মকর্তা, সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ, সমাজকর্মী, পরিবেশবিদ, সভাপতির সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিতে আদালতকে অনুরোধ করা হয়েছে।

Comments

The Daily Star  | English

Last-minute purchase: Cattle markets attract crowd but sales still low

Even though the cattle markets in Dhaka and Chattogram are abuzz with people on the last day before Eid-ul-Azha, not many of them are purchasing sacrificial animals as prices of cattle are still quite high compared to last year

3h ago