ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল-সাংবাদিক শামসুজ্জামানের মুক্তির দাবিতে মানিকগঞ্জে মানববন্ধন

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন দিয়ে বারবার সাংবাদিকদের নামে মামলা করে হয়রানি করা হচ্ছে।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল-সাংবাদিক শামসুজ্জামানের মুক্তির দাবিতে মানিকগঞ্জে মানববন্ধন
মানিকগঞ্জ জেলা শহরের শহীদ রফিক সড়কে মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাব মানববন্ধনের আয়োজন করে। ছবি: স্টার

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল এবং প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক শামসুজ্জামান শামসসহ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আটক সাংবাদিকের মুক্তির দাবিতে মানিকগঞ্জে মানববন্ধন করেছে গণমাধ্যমকর্মীরা।

আজ শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে মানিকগঞ্জ জেলা শহরের শহীদ রফিক সড়কে মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাব এই মানববন্ধনের আয়োজন করে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন দিয়ে বারবার সাংবাদিকদের নামে মামলা করে হয়রানি করা হচ্ছে। গণমাধ্যমকর্মীদের কণ্ঠ রোধের চেষ্টা করা হচ্ছে। এই আইনের কিছু কিছু বিতর্কিত ধারা রয়েছে, যে ধারাগুলোর মাধ্যমে সাংবাদিকদের নামে মামলা করা হচ্ছে। সম্প্রতি প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, সাভারের নিজস্ব প্রতিবেদক শামসুজ্জামান শামসসহ আরও কয়েকজন সাংবাদিকের নামে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়েছে।

মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম ছারোয়ার ছানু বলেন, 'কোনো অভিযোগের তদন্ত ছাড়াই একজন সাংবাদিককে গভীর রাতে বাসা থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া দুঃখজনক। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের লিখনি বন্ধ করা যাবে না। গণমাধ্যম ও সাংবাদিকরা দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করে থাকে। কাজেই সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই এই আইনটি বাতিল করতে হবে।'

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম ছারোয়ার ছানু, সহসভাপতি গাজী ওয়াজেদ আলম লাবু, সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব চক্রবর্তী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস, বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি জেলা শাখার সভাপতি মানবেন্দ্র চক্রবর্তী, সাবেক সভাপতি মতিউর রহমান, নয়াদিগন্ত পত্রিকার প্রতিনিধি শাহানুর ইসলাম, যমুনা টেলিভিশনের সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার বিএম খোরশেদ, ডিবিসি নিউজের প্রতিনিধি আশরাফুল আলম লিটন, হরিরামপুর উপজেলা সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান, দৌলতপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহ আলম।

Comments

The Daily Star  | English
Impact of esports on Bangladeshi society

From fringe hobby to national pride

For years, gaming in Bangladesh was seen as a waste of time -- often dismissed as a frivolous activity or a distraction from more “serious” pursuits. Traditional societal norms placed little value on gaming, perceiving it as an endeavour devoid of any real-world benefits.

17h ago