বাংলাদেশ

টেকনাফ থেকে মিয়ানমারে চলে গেছে একটি রোহিঙ্গা পরিবার

ক্যাম্পের প্রতিবেশী ও স্বজনরা জানিয়েছেন, নাজির আলম তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রাখাইনের মংডু থানার চালিপাড়ায় নিজ গ্রামে পৌঁছেছেন। তারা নাফ নদী পার হয়ে মিয়ানমারে প্রবেশ করেন।
রোহিঙ্গা ক্যাম্প। ছবি: ফাইল ফটো

টেকনাফের ক্যাম্প ছেড়ে একটি রোহিঙ্গা পরিবার স্বেচ্ছায় মিয়ানমারে নিজ গ্রামে ফিরে গেছে। পরিবারটি টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের লেদায় অবস্থিত ২৪ নম্বর ক্যাম্পের ১/১৭ নম্বর ব্লকে থাকত। গত সোমবার রাতে ছয় সদস্যের পরিবারটি নাফ নদী পাড়ি দিয়ে মিয়ানমারে ফিরে গেলেও তা দুই দিন পর জানা যায়।

ওই ক্যাম্পের রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতা (মাঝি) মৌলভী মোহাম্মদ জুবায়ের বিষয়টি দ্য ডেইলি স্টারকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, নাজির আলম তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কাউকে না জানিয়ে মিয়ানমারে চলে গেছেন।

তবে এ বিষয়ে ক্যাম্পের দায়িত্বশীল কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ক্যাম্প ইনচার্জ মো. নজরুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মিয়ানমারে স্বেচ্ছায় ফিরে যাওয়া নাজির আলমের ক্যাম্পের নিবন্ধন নম্বর হলো ২৫৫৯৪২। তার সঙ্গে মিয়ানমার ফিরে গেছেন তার স্ত্রী রাশেদা বেগম (৩৬), সন্তান মোহাম্মদ জাকের (১৯), সৈয়দ নুর (১০), তাজমিন আক্তার (১৩) ও সুবেকা (৯)।

ক্যাম্পের প্রতিবেশী ও স্বজনরা জানিয়েছেন, নাজির আলম তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রাখাইনের মংডু থানার চালিপাড়ায় নিজ গ্রামে পৌঁছেছেন। তারা নাফ নদী পার হয়ে মিয়ানমারে প্রবেশ করেন।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনী পরিচালিত গণহত্যার মুখে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা মিয়ানমার ছেড়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেন। দিনটিকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করে।

দিবসটি উপলক্ষে গত ২৫ আগস্ট কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আয়োজিত সমাবেশে রোহিঙ্গা নেতারা বলেন, রোহিঙ্গাদের তাদের জন্মভূমি মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন বিলম্ব হলে তারা ২০১৭ সালে যেভাবে দলে-দলে বাংলাদেশে এসেছিলেন ঠিক সেভাবেই মিয়ানমারে ফিরে যাবেন।

Comments

The Daily Star  | English

Old, unfit vehicles taking lives

The bus involved in yesterday’s crash that left 14 dead in Faridpur would not have been on the road had the government not given into transport associations’ demand for keeping buses over 20 years old on the road.

1h ago