হায়দার আকবর খান রনোর মৃত্যুতে সোমবার সিপিবির শোক দিবস

সোমবার সকাল ১০টায় সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয় মুক্তিভবনে হায়দার আকবর খান রনোর মরদেহ নেওয়া হবে। সেখানে পার্টির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।
হায়দার আকবর খান রনো। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) উপদেষ্টা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও লেখক হায়দার আকবর খান রনোর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে সিপিবি।

সিপিবির প্রেসিডিয়ামের এক বিবৃতিতে শোক প্রকাশ করে বলে হয়, হায়দার আকবর খান রনোর মৃত্যুতে দেশ একজন দেশপ্রেমিক, আজীবন সংগ্রামী, দেশের মানুষের শোষণ মুক্তির সংগ্রামের প্রিয় মানুষকে হারাল।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি ৬২'র শিক্ষা আন্দোলন থেকে শুরু করে পাকিস্তানি স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রাম, মহান মুক্তিযুদ্ধ, অসাম্প্রদায়িকতা, গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অবিচল ছিলেন। জেল-জুলুম নির্যাতন উপেক্ষা করে তিনি তার সংগ্রামী জীবন অব্যাহত রেখেছিলেন। 

এতে আরও বলা হয়, একজন মার্কসবাদী তাত্ত্বিক হিসেবে হায়দার আকবর খান রনো অসংখ্য লেখা রেখে গেছেন যা নতুন প্রজন্মের জন্য সংগ্রামের প্রেরণা হিসেবে থাকবে। 

সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সময় তিনি সংগঠন অগ্রসর করার কাজেও আত্মনিয়োগ করেছিলেন। দীর্ঘ অসুস্থতার মধ্যেও পার্টির দায়িত্ব পালনে তিনি কখনো পিছু হটেননি বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

শুক্রবার দিবাগত রাত ১টা ৪৫ মিনিটের দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান হায়দার আকবর খান রনো।

আগামীকাল সোমবার সকাল ১০টায় তার মরদেহ বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কার্যালয় মুক্তিভবনে নেওয়া হবে। সেখানে পার্টির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। 

সকাল ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হায়দার আকবর খানের মরদেহ। সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দুপুর দেড়টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে তার জানাজা হবে। পরে বনানী কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।

হায়দার আকবর খান রনোর মৃত্যুতে আগামীকাল সোমবার শোক দিবস ঘোষণা করেছে সিপিবি। এদিন সারা দেশের পার্টি কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন, দলীয় পতাকা অর্ধনমিত ও হায়দার আকবর খানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।

 

Comments

The Daily Star  | English

Last-minute purchase: Cattle markets attract crowd but sales still low

Even though the cattle markets in Dhaka and Chattogram are abuzz with people on the last day before Eid-ul-Azha, not many of them are purchasing sacrificial animals as prices of cattle are still quite high compared to last year

3h ago