ককটেল নিয়ে বসে থাকলে সরকারকে ব্যবস্থা নিতে হয়: তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদ। ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, যখন কোনো নেতা তাজা ককটেল নিয়ে বসে থাকে কার্যালয়ের ভেতরে তখন সেই নেতাদের বিরুদ্ধে সরকারকে ব্যবস্থা নিতে হয়। সরকার সেই ব্যবস্থাই গ্রহণ করেছে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করার ক্ষেত্রে কারো কোনো বাধা নেই। অশান্তি সৃষ্টির জন্য তো কাউকে অনুমতি দেওয়া যায় না। শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করার ক্ষেত্রে সরকার সব সময় বিএনপি সমস্ত সুযোগ-সুবিধা দিয়েছে। নিরাপত্তাও দিয়েছে। ঢাকা শহরেও সেটি করার জন্য তাদের মাঠ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, বিকল্প মাঠের কথা বলা হয়েছে এবং সমস্ত নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে সেটা বলা হয়েছে। যারা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ নয়, বরং গাড়ি ভাঙচুর-অগ্নি সংযোগ, পুলিশের ওপর হামলা করে সেটি তো কোনোভাবেই শান্তিপূর্ণ সমাবেশ না।

এক প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করার জন্য গত কিছু দিন ধরে উসকানি দিয়েছে এবং বিএনপি পরিকল্পিতভাবে গতকাল ঘটনা ঘটিয়েছে। কারণ সমাবেশ করার কথা হচ্ছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। কিংবা বিকল্প যে প্রস্তাবগুলো দেওয়া হয়েছিল, মিরপুরের পল্লবী-কালশী মাঠ, ইজতেমা-বাণিজ্য মেলার মাঠ কিংবা অন্য কোনো মাঠ; যেখানেই তারা যেতে চাইতো, সরকার তাদের পূর্ণ সহয়তা দিতো, নিরাপত্তা বিধান করতো। সেটি না করে নয়াপল্টনে সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়ে পরিকল্পিতভাবে কালকের ঘটনা ঘটিয়েছে। কালকের ঘটনার জন্য বিএনপি ও বিএনপি নেতারা দায়ী। 

বিএনপি মহাসচিবকে গতকাল কার্যালয়ে যেতে বলা হয়েছিল, তিনি না ঢুকে রাস্তায় বসে পড়েছিলেন। বিএনপি মহাসচিবকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছিল না, এ কথা সঠিক নয়। যেহেতু সেই অফিসে ককটেল পাওয়া গেছে, লাঠিসোঁটা পাওয়া গেছে, জনজীবনের নিরাপত্তা বিঘ্ন করার মতো উপাদান পাওয়া গেছে, সে জন্য আরও অধিকতর তদন্তের ব্যবস্থা করার জন্য পুলিশের উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে, আরেক প্রশ্নের জবাবে বলেন তিনি।

Comments

The Daily Star  | English

Parts of JP HQ set on fire

Protesters linked to Gono Odhikar Parishad demand ban on JP, accuse it of siding with Awami League

4h ago