জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদ নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ, কাকরাইলে পুলিশ মোতায়েন

ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

রাজধানী ঢাকার কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গণঅধিকার পরিষদ ও জাপা নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।

আজ শুক্রবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টা থেকে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত এ সংঘর্ষ চলে। এ সময় উভয়পক্ষ একে অপরকে ধাওয়া দেয় এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।

রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম ফারুক দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, 'সংঘর্ষের পর কাকরাইলে পুলিশ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য সংস্থার সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।'

সংঘর্ষের জন্য উভয়পক্ষ একে অন্যকে দায়ী করেছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানসহ চারজনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আনা হয়।

গণঅধিকার পরিষদের মিডিয়া সমন্বয়ক আবু হানিফ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, আওয়ামী লীগের সহযোগীদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধের দাবিতে তারা আজ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কর্মসূচি শেষে আমরা পল্টন থেকে নাইটিঙ্গেল মোড়ের দিকে মিছিল নিয়ে যাচ্ছিলাম। সে সময় জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে পেছন থেকে আমাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়া হয়। জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে আনুমানিক তিন শতাধিক মানুষ ছিল।

আমরা সন্দেহ করছি, সেখানে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের লোকজনও উপস্থিত ছিল, উল্লেখ করেন হানিফ।

এই ঘটনার পরপরই কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে জাতীয় পার্টি।

জাপা মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, গণঅধিকার পরিষদ নেতাকর্মীরা মিছিল থেকে হামলা চালায়।

তিনি জানান, জাতীয় পার্টির বেশ কয়েকজন নেতা আহত হয়েছেন এবং তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

অন্তর্বর্তী সরকার জনগণ ও রাজনৈতিক দলগুলোর নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে বলেও এ সময় অভিযোগ তোলেন তিনি।

শামীম আরও বলেন, 'সরকার অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের সক্ষমতাও হারিয়েছে।'

শামীম হায়দার বলেন, গণঅধিকার পরিষদকে তাদের 'অসদাচরণের' জন্য ক্ষমা চাইতে হবে এবং সরকারকে এই দলের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

Comments