মাঠে এলে ছেলেকে খুঁজেই পান না রাহির মা

সিলেটের অভিষেক টেস্ট, সেখানে খেলছেন ঘরের ছেলে আবু জায়েদ চৌধুরী রাহি। স্টেডিয়াম থেকে তার বাসা বড়জোর আধাঘণ্টার পথ। অথচ এমন দিনে পরিবারের কেউ আসেননি খেলা দেখতে। বিশেষ করে তার মা নাকি মাঠে এলে তাকে খুঁজেই পান না।
Abu Jayed Chowdhury Rahi
ফাইল ছবি: বিসিবি

সিলেটের অভিষেক টেস্ট, সেখানে খেলছেন ঘরের ছেলে আবু জায়েদ চৌধুরী রাহি। স্টেডিয়াম থেকে তার বাসা বড়জোর আধাঘণ্টার পথ। অথচ এমন দিনে পরিবারের কেউ আসেননি খেলা দেখতে। বিশেষ করে তার মা নাকি মাঠে এলে তাকে খুঁজেই পান না।

এই বছরের শুরুতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হয়েছিল রাহির। দলের হয়ে প্রথম বলটাও করেছিলেন তিনি। সেদিনও তার পরিবারের কেউ। তবে তার আগে বিপিএলের সময় ছেলের খেলা দেখতে এসেছিলেন রাহির মা। সেদিনের অভিজ্ঞতার পর স্টেডিয়ামমুখি হওয়ার আগ্রহ উবে গেছে তার। সিলেট টেস্টের প্রথম দিন শেষে রাহিই জানালেন সে গল্প, ‘বিপিএলের সময় আমার আম্মু আসছিল। তখন আম্মু বলছে যে মাঠ থেকে বাবা আমি টিভিতেই দেখব। টিভিতে তোরে দেখতে পারি, মাঠে এসে তোরে খুঁজেই পাই না। উনি বলছে মাঠে আসব না, টিভিতে দেখব। এত ঝামেলা নিতে পারব না। বাসা থেকে কেউ আসেনি।’

বিপিএলের সময় অন্য আরেক চাপে ছিলেন রাহি। খেলার টিকেট চেয়ে বন্ধু-বান্ধব, চেনা পরিচিত সবাই ঘিরে ধরেছিলেন তাকে। সেই চাপও এখনো নেই। সোজাসাপ্টা কথায় নিস্তার পেয়েছেন উটকো ঝামেলা থেকে, ‘না এখন টিকেটের চাপ নাই। মাঝখানে যখন সবাইরে বলছিলাম ভাই এখানে খেলতে আসি আমি,  টিকেট দেওয়ার জন্য আসি না। সব মিলিয়ে আমাকে দুইটা বা পাঁচটা টিকেট দেয়। তাইলে আমি কীভাবে টিকেট যোগাড় করে দিব। এরপর এই যে শ্রীলঙ্কা সিরিজের সময় থেকে কেউ আর টিকেট চায় না আমার কাছ থেকে।

রাহির সেসময় টিকেট নিয়ে চাপের কথা প্রচার করেছিল গণমাধ্যমও। চাপ কমায় ধন্যবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিকদেরও।

Comments

The Daily Star  | English
Civil society in Bangladesh

Our civil society needs to do more to challenge power structures

Over the last year, human rights defenders, demonstrators, and dissenters have been met with harassment, physical aggression, detainment, and maltreatment by the authorities.

8h ago