লতিফ সিদ্দিকী হাসপাতালে ভর্তি

টাঙ্গাইল-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ (১৯ ডিসেম্বর) সকালে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলে আমাদের স্থানীয় সংবাদদাতা জানান।
Latif Siddiqui
১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, আমরণ অনশণের কারণে অসুস্থ হয়ে যাওয়া আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

টাঙ্গাইল-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ (১৯ ডিসেম্বর) সকালে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলে আমাদের স্থানীয় সংবাদদাতা জানান।

গত ১৭ ডিসেম্বর থেকে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে  আমরণ অনশন পালন করে আসছিলেন সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী।

টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. শরীফ হোসেন বলেন, “একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে আজ সকাল ৯টা ১০ মিনিটের দিকে লতিফ সিদ্দিকীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. মোফাজ্জল হোসেনের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।”

তিনি আরও জানান, তীব্র শ্বাস কষ্টসহ পানি স্বল্পতায় ভুগছেন লতিফ সিদ্দিকী। শুরুতে হাসপাতালে যেতে অস্বীকৃতি জানালেও পরে তিনি আর না করতে পারেননি।

উল্লেখ্য, গত ১৬ ডিসেম্বর নির্বাচনী প্রচারণাকালে তার গাড়িবহরে হামলার প্রতিবাদে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে লেপ, তোষক ও তাঁবু নিয়ে অবস্থান নেন সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী। এ ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত সেখানেই অবস্থান করবেন বলে জানান তিনি।

এর পরদিন জেলা প্রশাসককে পাঠানো এক চিঠিতে আমরণ অনশন শুরুর কথা জানান লতিফ সিদ্দিকী। চিঠিতে তার কোনো ক্ষতি হলে নির্বাচন কমিশন দায়ী থাকবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সাবেক এই সদস্য।

আরও পড়ুন:

আমরণ অনশনে লতিফ সিদ্দিকী অসুস্থ

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে লতিফ সিদ্দিকীর অভিনব প্রতিবাদ

Comments

The Daily Star  | English

Thousands pray for rain as Bangladesh sizzles in heatwave

Thousands of Bangladeshis yesterday gathered to pray for rain in the middle of an extreme heatwave that prompted authorities to shut down schools around the country

19m ago