ঢাকা-১ আসনের সালমার এজেন্টকে ধাওয়া

ঢাকা-১ আসনের একটি কেন্দ্র নবাবগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ। এই কেন্দ্রে বিএনপি সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমা ইসলামের এজেন্টকে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী সালমান এফ রহমানের লোকদের ধাওয়া দিতে দেখা যায়।

ঢাকা-১ আসনের একটি কেন্দ্র নবাবগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ। এই কেন্দ্রে বিএনপি সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমা ইসলামের এজেন্টকে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী সালমান এফ রহমানের লোকদের ধাওয়া দিতে দেখা যায়।

কেন্দ্রটিতে ভোটগ্রহণ শুরু হয় সকাল ৮টা ২০ মিনিটের দিকে। এর মিনিট দশেক পর বিএনপি সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমা ইসলামের কয়েকজন এজেন্টকে নিয়ে আসেন নাঈম নামের এক ব্যক্তি। তিনি এসেছিলেন সেখানে এজেন্ট ঠিক করার জন্যে।

এমন সময় একটি মাইক্রোবাসে চড়ে কয়েকজন ব্যক্তি কেন্দ্রের সামনে আসেন। তারা চিৎকার করে নাঈমকে বের হয়ে যেতে বলেন। নাঈম বের হয়ে এলে ‘নৌকা’ প্রতীকের প্রার্থী সালমান এফ রহমানের লোকজনরা তাকে ধাওয়া দেয়।

এছাড়াও, এই কেন্দ্রে সাংবাদিকরা ঢোকার চেষ্টা করলে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা খান আসলাম আলী তাদেরকে বাধা দেন এবং দ্রুত সেখান থেকে চলে যেতে বলেন। কিন্তু, সাংবাদিকদের সেখানে অবস্থান করার অধিকার নির্বাচন কমিশন দিয়েছে- তা জানালে তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, “এখানে থাকা যাবে না। আপনারা কোনো প্রকারের সমস্যা করবেন না।”

অবশেষে সাংবাদিকদের প্রতিবাদের মুখে তিনি তাদেরকে কেন্দ্রে অবস্থান করতে দিতে রাজি হন।

এখানে অবস্থান করে দেখা গেছে- এখন পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবেই ভোটগ্রহণ চলছে। তবে ভোটারের উপস্থিতি খুবই কম। অনেকেই বলেছেন, সকালে ঠাণ্ডার কারণে এখন ভোটারদের অংশগ্রহণ কম রয়েছে।

ভোটারদের একজন মোহাম্মদ জুলহাস (৬৫) এই সংবাদদাতাকে জানান, “ভোট দেওয়ার জন্যে পরিবারের ছয় সদস্যকে নিয়ে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে অপেক্ষা করেছি। আশা করেছিলাম তাড়াতাড়ি ভোট দিয়ে বাসায় চলে আসবো। কিন্তু সেখানে ভোটগ্রহণ শুরু হয় ২০ মিনিট দেরিতে।”

Comments

The Daily Star  | English

Our civil society needs to do more to challenge power structures

Over the last year, human rights defenders, demonstrators, and dissenters have been met with harassment, physical aggression, detainment, and maltreatment by the authorities.

8h ago