পাঁচ সেঞ্চুরিতেও যে বিবেচনায় বাড়েনি আশরাফুলের পারিশ্রমিক

সেঞ্চুরি করেও দলকে জেতাতে পারেননি আশরাফুল । [ফাইল ছবি ]

গেল বছর ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের হয়ে পাঁচটি সেঞ্চুরি করেছিলেন মোহাম্মদ আশরাফুল। পারিশ্রমিক হিসেবে সেবার তার মূল্য ছিল ১৫ লাখ। এবারও ‘বি’ প্লাস ক্যাটাগরি থেকে ১৫ লাখ টাকা পারিশ্রমিকই ধরা হয়েছে তার। আগের বছর এতগুলো সেঞ্চুরি করেও যে কারণে এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানের পারিশ্রমিক বাড়েনি তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন সিসিডিএম চেয়ারম্যান কাজি ইনাম।

সোমবার প্রিমিয়ার লিগের প্লেয়ার্স ড্রাফটে ১৫ লাখ টাকা মূল্যের আশরাফুলকে দলে নেয় ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। আগেরবারের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে এবার কারো কারো পারিশ্রমিক বাড়লেও আশরাফুলের পারিশ্রমিক একই থাকা প্রসঙ্গে সিসিডিএম প্রধান বলছেন কেবল রান করাই নয়, দেখা হয়েছে দলের জয়ে অবদানও। পাঁচ সেঞ্চুরি করেও তাই এই জায়গাতে বেশ পিছিয়ে ছিলেন আশরাফুল।

স্পর্ট ফিক্সিং করে পাঁচ বছর নিষিদ্ধ থাকা এই ক্রিকেটার ঠিক আগের মৌসুমেই ফিরেছিলেন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে। কলাবাগানের হয়ে পাঁচটি সেঞ্চুরি করলেও ওই সেঞ্চুরিগুলোর চারটিতেই হেরেছিল তার দল। রান করলেও তাই প্রিমিয়ার লিগ থেকে দলকে রেলিগেশন হওয়া বাঁচাতে পারেননি তিনি। কলাবাগান সবার নিচে থেকে নেমে গেছে প্রথম বিভাগে।

আশরাফুলের পারিশ্রমিক কেন বাড়েনি, এমন প্রশ্নের  জবাবে সোমবার ডিপিএলের ড্রাফট নিয়ে করা সংবাদ সম্মেলনে ব্যাখ্যা দেন ইনাম, ‘এটা (পারিশ্রমিক) নির্বাচকেরা দেখেছেন, তারাই নির্ধারণ করেছেন। ক্রিকেটারদের সার্বিক পারফরম্যান্সের পাশাপাশি আরও কয়েকটি দিক তারা দেখেছেন। কোনো ক্রিকেটার পারফর্ম করলে সেগুলো ম্যাচ জেতানো পারফরম্যান্স কিনা, সেসব তারা বিবেচনা করেছেন।

পাঁচ সেঞ্চুরির চারটিই আশরাফুল করেন বেশ মন্থর গতিতে। ১৩৭ বলে অপরাজিত ১০২, ১৩৭ বলে ১০৩, ১৩১ বলে ১০৪। এরকম রান করা তিন ম্যাচেই হারে তার দল। ওইসব ম্যাচে সেঞ্চুরি পেতে তিনি বেশ মন্থর খেলেছিলেন কিনা সেই প্রশ্নও উঠেছিল। এছাড়া সেঞ্চুরি করেননি এমন কয়েকটি ম্যাচেও তাকে বেশ মন্থর খেলতে দেখা যায়।

তার আরেকটি মন্থর সেঞ্চুরিতে (১৩৬ বলে ১০২) দল জিতেছিল। কিন্তু ওই ম্যাচে আরেক প্রান্তে তাসামুল হক খেলেছিলেন ১১৫ বলে ১০৬ রানের ইনিংস। সে ম্যাচে সেরাও হয়েছিলেন তাসামুলই।

পাঁচ সেঞ্চুরির মধ্যে একটিতেই রানের চেয়ে বল কম ছিল। কিন্তু আশরাফুলের দল সেই ম্যাচটিতে জিততে পারেনি।

 

Comments

The Daily Star  | English

Primary Schools: Dropouts up after 14 years of decline

In a setback for the country’s primary education system, the school dropout rate saw a sudden rise last year after a steady decline over 14 years, according to a government report.

10h ago