জাতীয় নির্বাচনে এই তৎপরতা দেখা যায়নি কেন: মাহবুব তালুকদার

নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেছেন, অনেকের মতে, উপজেলা নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন ঘুরে দাঁড়িয়েছে। প্রশ্ন জাগে, কতদূর যাওয়ার পর এই ঘুরে দাঁড়ানোর বোধোদয় ঘটল? উপজেলা নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্র বন্ধ করা অনিয়মের জন্য পুলিশ ও অন্যান্য নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, জাতীয় নির্বাচনের সময় এমন তৎপরতা দেখা যায়নি কেন?
mahbub talukder
নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। ফাইল ছবি

নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেছেন, অনেকের মতে, উপজেলা নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন ঘুরে দাঁড়িয়েছে। প্রশ্ন জাগে, কতদূর যাওয়ার পর এই ঘুরে দাঁড়ানোর বোধোদয় ঘটল? উপজেলা নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্র বন্ধ করা অনিয়মের জন্য পুলিশ ও অন্যান্য নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, জাতীয় নির্বাচনের সময় এমন তৎপরতা দেখা যায়নি কেন?

এই জিজ্ঞাসার জবাব খুঁজে বের করলেই একাদশ জাতীয় নির্বাচনের প্রকৃত স্বরূপটি উদঘাটিত হবে বলে মনে করছেন তিনি।

আজ শনিবার উপজেলা নির্বাচনের চতুর্থ পর্বের ভোট গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের লিখিত জবাবে মাহবুব তালুকদার এই কথা বলেন।

নির্বাচন নিয়ে অনাস্থা থেকেই নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হচ্ছে না মন্তব্য করে তিনি বলেন, “যেসব কারণে আমরা ভোটারদের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছি, সেসব কারণ খুঁজে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ একান্ত আবশ্যক। এমতাবস্থায়, ভোটারদের ওপর দায় চাপানো ঠিক নয়। বিগত দুই বছরে যতগুলো নির্বাচন হয়েছে, তা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের আত্মসমালোচনা প্রয়োজন। ওইসব নির্বাচনে যেসব ভুলভ্রান্তি হয়েছে, সেগুলোর পুনরাবৃত্তি রোধ করা দরকার।

তার মতে, ভোটপ্রদানে জনগণের যে অনীহা দেখা যাচ্ছে, তাতে জাতি এক গভীর খাদের দিকে অগ্রসরমান। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্যই নির্বাচন। নির্বাচনবিমুখতা গণতন্ত্রের প্রতি মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার নামান্তর। আমরা গণতন্ত্রের শোকযাত্রায় শামিল হতে চাই না। রাজনৈতিক দল ও রাজনীতিবিদদের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে ভেবে দেখা প্রয়োজন।”

“আমি আবার বলি, জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন সর্বতোভাবে নির্বাচন কমিশনের হাতে ন্যস্ত করা প্রয়োজন। রিমোট কনট্রোলে নির্বাচনকে কনট্রোল করা হলে নির্বাচন ব্যবস্থা বিপর্যয়ে পড়বে—যা গণতন্ত্রের জন্য অনভিপ্রেত,” যোগ করেন তিনি।

Comments