উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করুন: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমগ্র দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধভাবে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
PM on PB
১৪ এপ্রিল ২০১৯, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সরকারি বাসভবন গণভবনে দল এবং বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। ছবি: বাসস

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমগ্র দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধভাবে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা আমাদের সকল কর্মের মধ্য দিয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণ করে যাবো। বাংলাদেশ হবে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলাদেশ। যে বাংলাদেশের স্বপ্ন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব দেখেছিলেন।”

“আর সেই বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আমি সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানাচ্ছি,” যোগ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ (১৪ এপ্রিল) সকালে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে দল এবং বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে একথা বলেন।

বাংলা নববর্ষ সবার জীবনকে সুন্দর এবং উদ্ভাসিত করে তুলবে এবং বাংলাদেশে তাঁর সরকারের নেতৃত্বে চলমান উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে বলেও প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, “বাংলা নতুন বছর-১৪২৬ এর নতুন সূর্য সবার জীবনকে সুন্দর করুক, উদ্ভাসিত করুক, সফল করুক সেটাই আমি কামনা করি।”

শেখ হাসিনা বলেন, “আমি এটুকুই আশা করবো যে, আমাদের যে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে সেই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে। বিশ্ব দরবারে বাঙালি জাতি সম্মানের সঙ্গে মাথা উঁচু করে চলবে। বিশ্বে বাংলাদেশ একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে উঠবে।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলা নববর্ষ, পুরাতন বছরকে পেছনে ফেলে আমরা নতুন বছরে পদার্পণ করছি। সমগ্র বাঙালি জাতিকে এই নববর্ষে আমি শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। শুভ নববর্ষ।”

সংসদের উপনেতা এবং দলের জ্যেষ্ঠ সভাপতিমন্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এইচ টি ইমাম, আমির হোসেন আমু এবং তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম এবং এডভোকেট সাহারা খাতুন অন্যান্যের মধ্যে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর কন্যা এবং বিশ্ব অটিজম আন্দোলনের অগ্রপথিক সায়মা ওয়াজেদ হোসেন এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থল গণভবনের ব্যাংকোয়েট হলে প্রবেশ করলে আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনের শিল্পীবৃন্দ বিখ্যাত রবীন্দ্র সঙ্গীত এবং বর্ষবরণের গান ‘এসো হে বৈশাখ’ এবং ‘আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে’ পরিবেশন করেন।

পরে, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ এবং সভাপতিমন্ডলীসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীকে শেখ হাসিনাকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

অনুষ্ঠানে অতিথিদের বিভিন্ন বাঙ্গালি খাবার যেমন- মোয়া, মুড়কি, মুরলি, কদমা, এবং জিলেপি দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।

Comments

The Daily Star  | English

44 lives lost to Bailey Road blaze

33 died at DMCH, 10 at the burn institute, and one at Central Police Hospital

5h ago