পাটুরিয়া ঘাট ফাঁকা, যানবাহনের অপেক্ষায় ফেরি

​ঈদের আগে প্রতি বছর পাটুরিয়া ঘাটে যাত্রীদের ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হলেও এবার তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ঘাট এলাকায় ছোট ও বড় গাড়ির লাইনে কোন ধরনের গাড়ি অপেক্ষমাণ থাকতে দেখা যায়নি।
স্টার ফাইল ছবি

ঈদের আগে প্রতি বছর পাটুরিয়া ঘাটে যাত্রীদের ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হলেও এবার তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ঘাট এলাকায় ছোট ও বড় গাড়ির লাইনে কোন ধরনের গাড়ি অপেক্ষমাণ থাকতে দেখা যায়নি। ঘাট এলাকায় গাড়ি আসা মাত্রই সরাসরি উঠে যাচ্ছে ফেরিতে। ঘাটে অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। বরং যানবাহনের অপেক্ষায় ফেরিগুলোকে ঘাট এলাকায় নোঙর করে থাকতে দেখা গেছে। লঞ্চ ঘাটেও নেই তেমন ভিড়।

এদিকে ঘাট এলাকায় র‌্যাবের একটি অস্থায়ী ক্যাম্প বসানো হয়েছে। প্রস্তুত রয়েছে মেডিক্যাল টিমসহ অ্যাম্বুলেন্সও। পাটুরিয়া ফেরিঘাট থেকে নবগ্রাম পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার মহাসড়কে অস্থায়ীভাবে বিভাজক বসিয়েছে পুলিশ।

এছাড়া ব্যক্তিগত ছোট গাড়ির জন্য আলাদা লেন করা হয়েছে। ঘাট থেকে ছয় কিলোমিটার দুরে টেপড়া এলাকা থেকে ছোট গাড়ি ফেরিঘাটে পৌঁছানোর জন্য পৃথক ব্যবস্থা করা হয়েছে। শুধু প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাসের মতো যানবাহনকে এই রুট ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেখানে তদারকির জন্য সার্বক্ষণিক পুলিশ রাখা হয়েছে। ছোট গাড়ি আসা মাত্র ওই রুটে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে, পাটুরিয়া ফেরিঘাট পরিদর্শন করেছেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান। শনিবার বেলা ১২টার দিকে প্রথমে তিনি লঞ্চঘাটে যান এবং লঞ্চের যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর তিনি ফেরিঘাট পরিদর্শন করেন। তার সঙ্গে ছিলেন, ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত ডিআইজি সালেহ মো. তানভির, জেলা  প্রশাসক এসএম ফেরদৌস, মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন আহম্মেদ, শিবালয় উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মো. রেজাউর রহমান খান জানু প্রমুখ।

ছবি: স্টার

ঘাট এলাকা পরিদর্শন শেষে সাড়ে ১২টার দিকে তিনি সাংবাদিকদের বিফ্র করেন। তিনি বলেন, এবার ঈদে ঘরমুখো কোনো যাত্রীকে দুর্ভোগ পোহাতে হবে না। পুলিশ ও বিভিন্ন দপ্তরের সমন্বয়ে অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এখন যানবাহন ঘাটে আসা মাত্রই ফেরিতে উঠার সুযোগ পাচ্ছে। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে ও ঘাট এলাকায় ব্যাপক পুলিশি নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এসব উদ্যোগের কারণে মানুষ নির্বিঘ্নে তাদের গন্তব্যে পৌঁছতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। 

প্রায় প্রতিবছর ঈদের আগে ঘাট এলাকায় যাত্রীদের হয়রানি ও ভোগান্তিতে পড়তে হলেও এবার তার উল্টো ছবি দেখা যাচ্ছে। ফেরিগুলো এখন যানবাহনের জন্য ঘাটে অপেক্ষা করছে।

Comments

The Daily Star  | English

Death came draped in smoke

Around 11:30, there were murmurs of one death. By then, the fire, which had begun at 9:50, had been burning for over an hour.

2h ago