খেলাপি ঋণের নতুন রেকর্ড, ৩ মাসে বেড়েছে ১৭ হাজার কোটি টাকা

চলতি বছরের মার্চে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ৮৭৪ কোটি টাকা। এটিই এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ।
Loan

চলতি বছরের মার্চে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ৮৭৪ কোটি টাকা। এটিই এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ।

গতকাল (১০ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংক যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যায়- প্রথম প্রান্তিকে (জানু-মার্চ) ১৬ হাজার ৯৬২ কোটি টাকাকে শ্রেণিকৃত ঋণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রান্তিক হিসেবে এমন বৃদ্ধি আগে হয়নি। এটিও খেলাপি ঋণ সৃষ্টি করার ক্ষেত্রে নতুন রেকর্ড।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতে, এখন মোট ঋণের ১১ দশমিক ৮৭ শতাংশ খেলাপি ঋণ। ২০১৮ সালের ডিসেম্বর ছিলো ১০ দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং ২০১৮ সালের মার্চে শতাংশ হিসাবে তা ছিলো ১০ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, “খেলাপি ঋণ বাড়ার পুরো দায়ভার সরকার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংককে নিতে হবে।”

২০১৮ সালের শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯৩ হাজার ৯১১ কোটিতে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে ঋণ খেলাপিদের একগুচ্ছ সুবিধা দেওয়া ঘোষণা দেওয়া হয় সরকারের পক্ষ থেকে। ফলে অনেক ঋণ খেলাপি টাকা পরিশোধ না করে অপেক্ষায় রয়েছে সেই সুবিধা নেওয়ার আশায়।

সেই ঘোষণা শেষ পর্যন্ত সত্য হয় ১৬ মে। সেদিন বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ খেলাপিদের জন্যে এক গুচ্ছ বিশেষ সুবিধা প্রকাশ করে।

নতুন নীতি অনুযায়ী ঋণ খেলাপিরা তাদের ঋণ বর্তমানের ১০ থেকে ৫০ শতাংশ হারের পরিবর্তে মাত্র ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিয়ে শ্রেণিকৃত ঋণ পুনঃতফসিল করতে পারবে।

যদিও বা শেষ পর্যন্ত হাইকোর্ট বাংলাদেশ ব্যাংকের এই ঘোষণা ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। এই স্থগিতাদেশ এ মাসেই শেষের দিকে শেষ হয়ে যেতে পারে। তাই খেলাপি গ্রাহকরা এখনো মনে করছেন যে তাদের সেই সুবিধাটি পুনর্বহাল থাকবে।

(সংক্ষেপিত। পুরো রিপোর্ট পড়তে ইংরেজি Bad loans soar লিংকে ক্লিক করুন)

Comments

The Daily Star  | English

Baily Road Fire: At least 65 rescued

10 hurt after jumping out of the building, 15 rescued so far

2h ago