ছোট মাঠে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদেরই ‘সুবিধা বাড়বে’

ওয়েস্ট ইন্ডিজের পাওয়ার হিটাররা তাল পেলেই বইয়ে দেন চার-ছক্কার ঝড়। বিশ্বকাপের সবচেয়ে ছোট ভেন্যু টন্টনের পাশের বাউন্ডারি এতটাই ছোট যে অনেক সময় মিস হিটও ছক্কা হয়ে যেতে পারে। তবে বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি মর্তুজা ছোট মাঠে বরং বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের সুবিধাই দেখছেন বেশি।
Shakib Al Hasan
বিগ শটের প্রস্তুতি সাকিবের। ফাইল ছবি

ওয়েস্ট ইন্ডিজের পাওয়ার হিটাররা তাল পেলেই বইয়ে দেন চার-ছক্কার ঝড়। বিশ্বকাপের সবচেয়ে ছোট ভেন্যু টন্টনের পাশের বাউন্ডারি এতটাই ছোট যে অনেক সময় মিস হিটও ছক্কা হয়ে যেতে পারে। তবে বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি মর্তুজা ছোট মাঠে বরং বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের সুবিধাই দেখছেন বেশি।

সোমবার টন্টনে প্রথমবার কোন ম্যাচ খেলতে নামবে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেই ম্যাচটি আবার বিশ্বকাপে পরের ধাপে যাওয়ার হিসাব করলে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। এমন ম্যাচে উইকেট, প্রতিপক্ষ, মাঠের আকৃতি সবই আসছে আলোচনায়।

মাঠের আকার নিয়ে নেতিবাচক আলোচনার মধ্যে বাংলাদেশ অধিনায়ক ব্যাপারটাকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন। আর কেন সেটা তার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন তিনি, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজ যত বড় মাঠেই খেলুক না কেন, ওদের মিস হিটও অনেক সময় ছক্কা হয়ে যায়। এখানে ছয় (বিশাল ছয়) হলে তো আর ১২ হবে না। ছয়ই কাউন্ট হবে। মাঠ ছোট হওয়াতে আমাদের ব্যাটসম্যানদের জন্যই সুবিধা কিছুটা বাড়বে। আমাদেরও ওই সুযোগগুলা (ছক্কা মারার) থাকবে। কাজেই আমি এইগুলা ইতিবাচক হিসেবেই দেখছি।’

এভাবে দেখলে ব্যাটসম্যানদের সুবিধা থাকছে। কিন্তু বোলারদের তো হ্যাপা আছে অনেক। মাশরাফি অবশ্য ছোট গ্রাউন্ডেই বোলারদের সুবিধা বের করার পথ খুঁজছেন,  ‘হয়তবা বোলারদের জন্য কিছুটা চ্যালেঞ্জ বেশি। মাঠ ছোট হওয়াতে দেখা গেল যেগুলো ৫০-৫০ চান্স সেগুলো ছয় হয়ে যেতে পারে। এমনিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলতে থাকলে বোলারদের চ্যালেঞ্জও বেশি থাকে। আমি মনে করি দুই দিকেই দেখা যায়। তবে যত ইতিবাচকভাবে দেখা যায় তত ভালো। বোলাদেরও কোন না কোন উপায় বের করতে হবে।’

Comments

The Daily Star  | English

US airman sets himself on fire outside Israeli embassy in Washington

A US military service member set himself on fire, in an apparent act of protest against the war in Gaza, outside the Israeli Embassy in Washington on Sunday afternoon, authorities said

1h ago