মোদির পাশে কেজরিওয়াল!

ভারতে বিজেপি-বিরোধী বড় মুখগুলোর একটি হলো আম আদমি পার্টির প্রধাননেতা ও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সাধারণত মোদির সাম্প্রদায়িক ইস্যুতে বেশ সরব থাকেন তিনি। কিন্তু, কাশ্মীর প্রশ্নে সেই কেজরিওয়ালকে দেখা গেলো মোদির পাশে দাঁড়াতে।
narendra modi and arvind kejriwal
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে করমর্দন করছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। ছবি: ফাইল ফটো

ভারতে বিজেপি-বিরোধী বড় মুখগুলোর একটি হলো আম আদমি পার্টির প্রধাননেতা ও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সাধারণত মোদির সাম্প্রদায়িক ইস্যুতে বেশ সরব থাকেন তিনি। কিন্তু, কাশ্মীর প্রশ্নে সেই কেজরিওয়ালকে দেখা গেলো মোদির পাশে দাঁড়াতে।

কাশ্মীরের মালিকানা নিয়ে বিরোধ রয়েছে প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তানের। উভয় পক্ষের দাবি জম্মু ও কাশ্মীরের পুরো অংশের ওপর। এর পাশাপাশি কাশ্মীরের ভারতশাসিত অংশে রয়েছে স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রভাব। সেই প্রভাবকে প্রশমিত করা জন্যে ভারতের সংবিধানের রাখা হয়েছিলো একটি বিশেষ ব্যবস্থা। সেই বিশেষ ব্যবস্থায় ভারত-শাসিত জম্মু-কাশ্মীরকে দেওয়া হয়েছিলো বিশেষ মর্যাদা।

এই বিশেষ ব্যবস্থার কারণে ভারতের অন্যান্য রাজ্যের চেয়ে একটু বেশি প্রশাসনিক ও অন্যান্য সুবিধা পেয়ে থাকতো বিরোধপূর্ণ জম্মু-কাশ্মীর। আজ (৫ আগস্ট) রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ বলে ভারতের সংবিধান থেকে সেই বিশেষ ৩৭০ ধারাটি বাতিল করার মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

দেশটির মন্ত্রীসভার সদস্যদের নিয়ে মোদির বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যসভায় এ সংক্রান্ত ঘোষণা দেন। অমিত শাহ বলেন, “ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা রদ করা হবে। জম্মু ও কাশ্মীর আর রাজ্য নয়।” সেসময় তিনি জানান, জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠিত করে রাজ্যটিকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করা হবে- একটি জম্মু ও কাশ্মীর, অন্যটি লাদাখ।

মোদি সরকারের সেই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে প্রায় সব বিরোধীদল। এমন পরিস্থিতিতে সংস্কারবাদী নেতা হিসেবে খ্যাতি পাওয়া কেজরিওয়াল সুর মেলালেন মোদি-অমিতদের সুরে। এক টুইটার বার্তায় তিনি বিজেপি সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতি সমর্থন জানান।

বার্তায় কেজরিওয়াল বলেন, “আমরা জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানাই। আমরা আশা করি এর মাধ্যমে রাজ্যটিতে শান্তি ফিরে আসবে এবং সেখানে উন্নয়ন হবে।”



 

আরো পড়ুন:

জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা থাকলো না

Comments

The Daily Star  | English

Lifting curfew depends on this Friday

The government may decide to reopen the educational institutions and lift the curfew in most places after Friday as the last weekend saw large-scale violence over the quota-reform protest.

10h ago