খাগড়াগড় বিস্ফোরণ মামলায় ৪ বাংলাদেশিসহ ১৯ জনের কারাদণ্ড

পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার বহুল আলোচিত খাগড়াগড় বিস্ফোরণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় চার বাংলাদেশিসহ ১৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন কলকাতার এক আদালত।
gavel
প্রতীকী ছবি

পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার বহুল আলোচিত খাগড়াগড় বিস্ফোরণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় চার বাংলাদেশিসহ ১৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন কলকাতার এক আদালত।

আজ (৩০ আগস্ট) কলকাতার নগর ও দায়রা আদালতে এই সাজা ঘোষণা করেন বিচারক সিদ্ধার্থ কাঞ্জিলাল।

এর আগে, গত ২৭ আগস্ট ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইয়ের বিশেষ আদালতে এই মামলার ৩১ জন অভিযুক্তের মধ্যে ১৯ জন নিজেদের দোষ স্বীকার করেন।

আমাদের কলকাতা প্রতিনিধি জানান, দণ্ড পাওয়াদের মধ্যে চারজন বাংলাদেশের, চার জন আসামের এবং বাকিরা পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। তাদের মধ্যে দুজন নারীও রয়েছেন। বাংলাদেশি চার জনকে ১০ বছর এবং বাকি ভারতীয়দের মধ্যে দুই নারীর ছয় বছর এবং পুরুষদের আট বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত বাংলাদেশিরা হলেন- তারিকুল ইসলাম, বোরহান শেষ ওরফে শেখ রহমতউল্লাহ, হাবিবুর রহমান এবং লিয়াকত আলি।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে ২ অক্টোবর কলকাতা থেকে আনুমানিক দুইশো কিলোমিটার দূরে বর্ধমান জেলার খাগড়াগড় এলাকায় একটি বাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনায় শাকিল আহমেদ ও শোভন মণ্ডল নামের দুজন বাংলাদেশি জেএমবি সদস্যের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় আরও আহত হন ছয় জন। ঘটনার পরপরই এলাকায় তদন্ত শুরু করে এনআইএ এবং ৫৫টি ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস, আরডিএক্স এবং প্রচুর সংখ্যক সিমকার্ড উদ্ধার করে।

এনআইএ এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় বেশ কিছু গোয়েন্দা সংস্থা যৌথভাবে খাগড়াগড় বিস্ফোরণের তথ্য সহযোগিতা করে। উভয়পক্ষ যৌথভাবে আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি দল ২০১৫ সালে খাগড়াগড় পরিদর্শন করে এবং কলকাতা এনআইয়ের দপ্তরে গ্রেপ্তারকৃতদের জেরাও করে।

Comments