উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় বাংলাদেশ

রপ্তানিখাতে বছরে ৭ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হতে পারে

আগামী ২০২৭ সালে বাংলাদেশ যখন স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পা রাখবে তখন দেশটির রপ্তানিখাতে প্রতি বছর বাণিজ্যিক সুবিধা হিসেবে পাওয়া ৭ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হতে পারে। এমন তথ্য জানিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন।
স্টার ফাইল ফটো

আগামী ২০২৭ সালে বাংলাদেশ যখন স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পা রাখবে তখন দেশটির রপ্তানিখাতে প্রতি বছর বাণিজ্যিক সুবিধা হিসেবে পাওয়া ৭ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হতে পারে। এমন তথ্য জানিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন।

স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), কানাডা, অস্ট্রেলিয়াসহ অনেক দেশে শুল্ক ছাড়া রপ্তানি করার সুযোগ পায়। কিন্তু, উন্নয়নশীল দেশের জন্যে সেসব সুযোগ থাকবে না। তখন বাংলাদেশের পণ্যগুলোকে বিশ্ববাজারে দামের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতায় পড়তে হবে।

পরিকল্পনা কমিশনের জেনারেল ইকোনমিকস ডিভিশন (জিইডি) পরিচালিত উন্নয়নশীল দেশের উন্নীত হওয়ার প্রভাব কী হতে পারে তা নিয়ে সরকারের পর্যালোচনায় আরো বলা হয় যে, রপ্তানিখাতে সেই ক্ষতির পরিমাণ ধীরে ধীরে বেড়ে ২০৩১ সালে এসে ১৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়াতে পারে।

এই ক্ষতির প্রভাব মূল্যায়ন করতে গত বছর জানুয়ারিতে একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। সেই ট্রস্কফেোর্সের নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রধান সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ।

‘বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের প্রভাব পর্যালোচনা ও উন্নীতকরণের কৌশলগুলোর সঙ্গে খাপ খাওয়ানো’ বিষয়টি আজ (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় টাস্কফোর্সের বৈঠকে তুলে ধরা হতে পারে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ রপ্তানির এই ক্ষতি এড়িয়ে যেতে পারে। আর এখনি ইইউ-এর জিএসপিপ্লাস স্কিমের জন্যে লবি করতে পারে। এই স্কিমের মাধ্যমে বাংলাদেশ ইইউ-তে শুল্কমুক্ত বাণিজ্য চালিয়ে যেতে পারবে। তা না হলে জিএসপি স্কিমের আওতায় বাংলাদেশকে ৯ দশমিক ৬ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে।

পরিকল্পনা কমিশনের এই প্রতিবেদন মতে, স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এখন কম সুদে ঋণ পায়। কিন্তু, উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার পর দেশটির কম সুদে পাওয়া ঋণের হারও কমবে।

(সংক্ষেপিত, পুরো প্রতিবেদনটি পড়তে এই Graduation to Developing Country: Bangladesh to lose $7b in exports a year লিংকে ক্লিক করুন)

Comments