চট্টগ্রামের উইকেট নিয়ে বিস্মিত, হতাশ সাকিব

বাংলাদেশ চেয়েছিল অতি টার্নিং উইকেট। কিন্তু উইকেট না-কি সেরকম প্রত্যাশার ধারেকাছেও হয়নি। অনেকটা ফ্লাট উইকেট থাকাতেই বাংলাদেশের ফিঙ্গার স্পিনাররা ছিলেন বিবর্ণ। অপরদিকে আফগানের বৈচিত্র্যময় রিস্ট স্পিনার থাকায় তারা তুলতে পেরেছে ফায়দা। দ্বিতীয় দিন শেষে দল ব্যাকফুটে থাকার সব দায় পরোক্ষভাবে চট্টগ্রামের উইকেটের উপর দিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। স্পষ্ট করেই জানালেন স্বাগতিক হয়েও নিজেদের প্রত্যাশার বাইরে উইকেট পেয়ে তারা বিস্মিত ও হতাশ।
Shakib Al Hasan
আফগানিস্তানের বিপক্ষে বল হাতে তেমন আলো ছড়াতে পারেননি সাকিব আল হাসান। ছবি: ফিরোজ আহমেদ

বাংলাদেশ চেয়েছিল অতি টার্নিং উইকেট। কিন্তু উইকেট না-কি সেরকম প্রত্যাশার ধারেকাছেও হয়নি। অনেকটা ফ্লাট উইকেট থাকাতেই বাংলাদেশের ফিঙ্গার স্পিনাররা ছিলেন বিবর্ণ। অপরদিকে আফগানের বৈচিত্র্যময় রিস্ট স্পিনার থাকায় তারা তুলতে পেরেছে ফায়দা। দ্বিতীয় দিন শেষে দল ব্যাকফুটে থাকার সব দায় পরোক্ষভাবে চট্টগ্রামের উইকেটের উপর দিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। স্পষ্ট করেই জানালেন স্বাগতিক হয়েও নিজেদের প্রত্যাশার বাইরে উইকেট পেয়ে তারা বিস্মিত ও হতাশ।

শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) দ্বিতীয় দিন শেষে হাতে ২ উইকেট নিয়ে ১৪৮ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ। ম্যাচের যা পরিস্থিতি তাতে ফল নিজেদের পক্ষে নিয়ে আসা এখন ভীষণ কঠিন।

বিপর্যস্ত এক দিন শেষে অধিনায়ক নিজেই এলেন সংবাদ সম্মেলনে। উইকেট নিয়ে প্রকাশ্যেই ঝাড়লেন নিজের হতাশা। উইকেটে সুবিধা থাকলে তবেই প্রতিপক্ষকে চেপে ধরতে পারে বাংলাদেশ। তবে আফগানিস্তানের যেহেতু তিনজন রিস্ট স্পিনার আছে, তারা তাই ফ্লাট উইকেটেও পারেন বল ঘোরাতে। এমন যুক্তিতে উইকেটে নিজেদের স্পিনারদের জন্য সুবিধা না থাকার হতাশা স্পষ্ট করেন সাকিব, ‘আমরা সবাই অনেক বিস্মিত। কারণ আমরা এমন আশা করিনি। আমরা যেমন আশা করেছিলাম, তার পুরো বিপরীত ছিল (উইকেট)। তার মানে এই না যে আমরা ভালো কিছু করতে পারব না। কিন্তু অবশ্যই আমাদের প্রত্যাশার বাইরে ছিল।’

উইকেট এমন থাকাতে টস জিতে ব্যাটিং নেওয়া আফগানিস্তান ৩৪২ রান করায় অবাক হননি সাকিব। অবাক হয়েছিলেন প্রথম দিনে মাত্র ৫ উইকেট নিতে পেরে, ‘অবাক হয়েছিলাম যখন প্রথম দিন আমরা ৫ উইকেট পেয়েছিলাম। কারণ ফ্ল্যাট উইকেটে অনেকদিন পর আমরা খেলেছি বলে মনে হয়।’

দ্বিতীয় দিন পরও উইকেট খুব একটা বদলায়নি। যদিও বাংলাদেশ দুইশো পেরুনোর আগেই খুইয়ে বসেছে ৮ উইকেট। এর মধ্যে রিস্ট স্পিনাররা পান ৫ উইকেট, ‘খুব একটা কিন্তু ফিঙ্গার স্পিনারদের জন্য (উইকেট) বদলেছে বলে মনে হয় না। রিস্ট স্পিনাররা সব সময় সাহায্য পাবে। কারণ রিস্ট স্পিনারদের ভেতরও ওদের বৈচিত্র্য আছে। কাজেই ওদের একটু সুবিধা অবশ্যই থাকবে।’

কোন পেসার ছাড়া নেমেছিল বাংলাদেশ। বিশেষজ্ঞ চার স্পিনারের পাশাপাশি স্পিন করতে পারেন অনিয়মিত এমন আরও তিনজন ছিলেন দলে। বাংলাদেশ কেমন উইকেট চেয়েছিল তাতেই স্পষ্ট ছিল। তা না পাওয়ায় হতাশা আড়াল করলেন না বাংলাদেশ অধিনায়ক, ‘অবশ্যই হতাশার। কিন্তু আসলে এটা নিয়ে আলোচনা করে বা চিন্তা করে লাভ হবে না। এখন এখান থেকে কীভাবে ফিরে আসতে পারি (ভাবতে হবে)। আমরা যেভাবে দল সাজিয়েছে, হয়তো আপনারা বুঝবেন কি ধরনের উইকেট আমরা আশা করেছিলাম। স্বাভাবিকভাবে অনেক সময় অনেক কিছুর কারণে সম্ভব হয় না।’

Comments

The Daily Star  | English

Through the lens of Rafiqul Islam

National Professor Rafiqul Islam’s profound contribution to documenting the Language Movement in Bangladesh was the culmination of a lifelong passion for photography.

18h ago