দলের বাইরে থেকে শিক্ষা নিয়েছেন আল-আমিন

টি-টোয়েন্টিতে বেশ ভালো আল-আমিন হোসেনের পারফরম্যান্স। তিন বছর আগে সব শেষ খেলা ম্যাচেও করেছিলেন জুতসই বোলিং। কিন্তু জাতীয় দল থেকে নানা কারণে ছিটকে যাওয়ার পর আর ফিরতে পারছিলেন না কক্ষপথে। ঘরোয়া ক্রিকেটেও করতে পারছিলেন না আহামরি কিছু। তার ফেরার পথে বাধা ছিল ‘ব্যাড বয়’ ভাবমূর্তিও। অন্যদের ব্যর্থতায় ফেরার পর পুরো ক্যারিয়ার নতুন করে শুরুর স্বপ্ন দেখছেন তিনি।
অনুশীলনে মোস্তাফিজ ও আরাফাত সানির সঙ্গে আল-আমিন হোসেন

টি-টোয়েন্টিতে বেশ ভালো আল-আমিন হোসেনের পারফরম্যান্স। তিন বছর আগে সব শেষ খেলা ম্যাচেও করেছিলেন জুতসই বোলিং। কিন্তু জাতীয় দল থেকে নানা কারণে ছিটকে যাওয়ার পর আর ফিরতে পারছিলেন না কক্ষপথে। ঘরোয়া ক্রিকেটেও করতে পারছিলেন না আহামরি কিছু। তার ফেরার পথে বাধা ছিল ‘ব্যাড বয়’ ভাবমূর্তিও। অন্যদের ব্যর্থতায় ফেরার পর পুরো ক্যারিয়ার নতুন করে শুরুর স্বপ্ন দেখছেন তিনি।

২৫ টি-টোয়েন্টি খেলে ৩৯ উইকেট আল-আমিনের। সেই ২০১৬ সালে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সবশেষ ম্যাচেও নিয়েছিলেন ২৭ রানে ২ উইকেট। এবার আরেকটি ভারত যাত্রায় ঘটনাচক্রে ফিরেছেন তিনি। এই ফেরাটা ডানহাতি এই পেসারের কাছে অন্য কিছু।

দলের বাইরে থাকার এই সময়ে ভেতরে দহন হয়েছে তার। আত্মউপলব্ধি করেছেন নিজের আচরণের। শনিবার অনুশীলন শেষে জানালেন এবার ভিন্ন এক আল-আমিনকেই দেখা যাবে, ‘এটা তো সাড়ে তিন বছর আগে ছিল (ব্যাড বয় ইমেজ)। এটা খারাপ ভাবমূর্তি বলেন শৃঙ্খলা বলেন সবকিছু মিলিয়ে দলের বাইরে ছিলাম। দলের বাইরে থাকলেই নিজের সমস্যা গুলো থেকে শিক্ষা পাওয়া যায়। চেষ্টা করেছি সাড়ে তিন বছরে অনেক কিছু শেখার। যে ভুলগুলো অতীতে হয়েছে, ক্রিকেটের বাইরে আগে সেগুলো আর হবে না। আপনারাই দেখতে পাবেন কতটা ঠিক হলো।’

এই সময়ে বদলেছে বাংলাদেশ দলের কোচিং আদল। প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর সঙ্গে পেস বোলিং কোচ হিসেবে আছেন শার্ল ল্যাঙ্গাফ্যাল্ট। এদেরকে মুগ্ধ করে এবারের সুযোগটা পাকা করতে মরিয়া তিনি, ‘অবশ্যই এটা ভালো সুযোগ। সামনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আছে। শেষ দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলেছি। দলের সঙ্গেই ছিলাম। শেষ সাড়ে তিন বছর দলের সঙ্গে ছিলাম না। এখন কোচিং স্টাফও নতুন। আমাদের পেস বোলিং ইউনিটের অনেকেই চেষ্টা করছিলো। ওরা হয়তো ইনজুরিতে বা ওইভাবে ফুটে উঠতে পারেনি যেভাবে টিম ম্যানেজমেন্ট চাচ্ছে। আমাকে একটি সুযোগ দিয়েছে। আশা করবো সুযোগটি কাজে লাগানোর।’

Comments

The Daily Star  | English

Trees are Dhaka’s saviours

Things seem dire as people brace for the imminent fight against heat waves and air pollution.

5h ago