টস জিতে বাংলাদেশের এমন ‘সাহস’ আশাই করেনি ভারত

ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা যেভাবে কাঁপাকাঁপি করলেন, তাতে ভারতীয় বোলিং আক্রমণ খেলতে কি তাদের ভীত মনে হলো? রবীচন্দ্রন অশ্বিন এমন প্রশ্নে প্রতিপক্ষকে ছোট করার দিকে গেলেন না। উইকেটে ছিল ঘাসের ছোঁয়া, ফর্মের তুঙ্গে থাকা ভারতীয় পেসাররা ছিলেন তেতে। অশ্বিন জানালেন এই অবস্থায় বাংলাদেশের টস জিতে ব্যাটিং নেওয়া তাদের কাছে ছিল অবাক করার মতো। বাংলাদেশ এমন সাহসী সিদ্ধান্ত নেবে তারা নাকি আশাই করেননি।
ছবিঃ এএফপি

ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা যেভাবে কাঁপাকাঁপি করলেন, তাতে ভারতীয় বোলিং আক্রমণ খেলতে কি তাদের ভীত মনে হলো? রবীচন্দ্রন অশ্বিন এমন প্রশ্নে প্রতিপক্ষকে ছোট করার দিকে গেলেন না। উইকেটে ছিল ঘাসের ছোঁয়া, ফর্মের তুঙ্গে থাকা ভারতীয় পেসাররা ছিলেন তেতে। অশ্বিন জানালেন এই অবস্থায় বাংলাদেশের টস জিতে ব্যাটিং নেওয়া তাদের কাছে ছিল অবাক করার মতো। বাংলাদেশ এমন সাহসী সিদ্ধান্ত নেবে তারা নাকি আশাই করেননি।

ইন্দোরের হোল্কার ক্রিকেট স্টেডিয়ামে লাল মাটির শক্ত উইকেটে ভারতীয় বোলারদের সামলাতে পারেনি বাংলাদেশ। ৫৮.৩ ওভারেই ধুঁকে ধুঁকে গুটিয়ে যায় ১৫০ রানে।

দিনের শুরু থেকেই ভারতের পেসাররা দারুণ জায়গায় বল ফেলে বাউন্স আদায় করে নেন, পরাস্ত করেন গতিতে। তাদের বোলিংয়ে ছিল মুভমেন্ট। যাতে তাল রাখতে না পেরে নড়বড়ে হয়ে যায় বাংলাদেশ।

মাঠে থেকে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের এমন বোলিংয়ে কি ভয় পেতে দেখেছেন অশ্বিন? ভারতের সেরা অফ স্পিনার এমন প্রশ্নে কিছুটা অপ্রস্তুত হাসি দিয়ে দেন জবাব, ‘আপনারা বারবার আমাকে এমন প্রশ্ন করছেন যার উত্তর দেওয়া উচিত না। দেখুন আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি না কোন আন্তর্জাতিক দল ভয় নিয়ে খেলতে নামে। আপনি যদি ১০ ও ১১ নম্বর ব্যাটসম্যানের কথা বলেন যারা স্টাম্প ছেড়ে খেলছিল, এটা অনেক দলের ১০ ও ১১ নম্বরের সঙ্গেই হয়।’

এরপরই টস জিতে বাংলাদেশের সাহসী সিদ্ধান্তের তারিফ করেন অশ্বিন,  ‘আমি মনে করি টস জিতে ব্যাটিং নেওয়া দারুণ সাহসী সিদ্ধান্ত ছিল তাদের। আসলে আমরা আশাই করিনি। আমরা ভেবেছি তারা বোলিং নেবে, এই পরিস্থিতিতে সেটাই তাদের জন্য স্বস্তির হতো। আমি এটাও মনে করি তাদের কিছু ব্যাটসম্যান সকালে দারুণ ব্যাট করেছে। উইকেট প্রাণ আছে এই অবস্থায় খেলাটা সোজা না। আমার মনে হয় মুমিনুল হক ও তাদের আরও কজন সুন্দর ব্যাট করছিল।’

Comments

The Daily Star  | English

Abu sayed’s death in police firing: Cops’ FIR runs counter to known facts

Video footage shows police shooting at Begum Rokeya University student Abu Sayed, who posed no physical threat to the law enforcers, during the quota reform protest near the campus on July 16. He died soon afterwards.

10h ago