কক্সবাজারে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রোহিঙ্গা মাদকবিক্রেতা নিহত

কক্সবাজারে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আব্দুল নাসির (২৮) নামে এক সন্দেহভাজন রোহিঙ্গা মাদকবিক্রেতা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
gunfight logo
প্রতীকী ছবি: স্টার অনলাইন গ্রাফিক্স

কক্সবাজারে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আব্দুল নাসির (২৮) নামে এক সন্দেহভাজন রোহিঙ্গা মাদকবিক্রেতা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

আজ ভোরে কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়কে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত নাসির কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের বি-২৬ নম্বর ব্লকের মো. জাকেরের ছেলে।

র‌্যাবের দাবি, এ ঘটনায় তাদের তিন সদস্যও আহত হয়েছেন। এছাড়া, ঘটনাস্থল থেকে ৬৬ হাজার ৯১৫ পিস ইয়াবা, দুইটি আগ্নেয়াস্ত্র, ৫ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ২টি গুলির খোসা ও নগদ ৩ হাজার টাকা উদ্ধারকরা হয়েছে।

র‍্যাব-১৫’র কোম্পানি কমান্ডার লেফট্যানেন্ট মির্জা শাহেদ মাহতাব জানিয়েছেন, গোপন সূত্রে ইয়াবার চোরাচালানের খবর পেয়ে র‍্যাব-১৫ আজ ভোররাত ১টার দিকে মেরিন ড্রাইভ রোডের বাহারছড়া ইউনিয়নের মনতালিয়া পুরানপাড়ায় একটি চেকপোস্ট স্থাপন করে। অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই সন্দেহভাজন কয়েকজন চেকপোস্ট পার হওয়ার সময় র‌্যাব সদস্যরা তাদের তল্লাশি করার জন্য থামায়।

সেসময় তারা র‍্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া শুরু করলে আত্মরক্ষার্থে র‍্যাবও পালটা গুলি চালায়। একপর্যায়ে নাসির গুলিবিদ্ধ হয় এবং তার সহযোগীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। আহত নাসিরকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এই বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ। তিনি দ্য ডেইলি স্টারকে জানিয়েছেন, র‍্যাবের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যায়। ময়নাতদন্তের জন্য নাসিরের মরদেহ কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এই ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হবে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

Comments

The Daily Star  | English
Road crash deaths during Eid rush 21.1% lower than last year

Road Safety: Maladies every step of the way

The entire road transport sector has long been riddled with multifaceted problems, which are worsening every day amid apathy from the authorities responsible for ensuring road safety.

1h ago