সেন্টমার্টিন রক্ষায় ৯ দফা দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি

দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন রক্ষায় উচ্চ আদালতের রায় বাস্তবায়নসহ নয় দফা দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে পরিবেশ বিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘এনভায়রনমেন্ট পিপল’। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেনের মাধ্যমে এ স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
সেন্টমার্টিনে দূষণে মরছে প্রবাল। ছবি: মোহাম্মদ আরজু/সেভ আওয়ার সি

দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন রক্ষায় উচ্চ আদালতের রায় বাস্তবায়নসহ নয় দফা দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে পরিবেশ বিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘এনভায়রনমেন্ট পিপল’। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেনের মাধ্যমে এ স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

স্মারকলিপির ৯ দাবির মধ্যে রয়েছে, বিদ্যমান প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) আইন কঠোর ভাবে প্রয়োগ, দ্বীপে প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ করা, দ্বীপে পর্যটক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডসহ পর্যটকদের আচরণ নিয়ন্ত্রণ ও নির্ধারণ, ছেড়াদ্বীপে পর্যটক নিষিদ্ধ করা, দ্বীপ ও জাহাজের অপচনশীল বর্জ্য দ্বীপ থেকে সরিয়ে নেওয়া ও স্থায়ী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, দ্বীপে নিরাপদ খাবার পানির উৎস নিশ্চিত করা, পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়া হোটেল ও রির্সোট তৈরি বন্ধ করা, উচ্চ আদালতের রায় বাস্তবায়ন এবং স্থানীয়দের জীবন-জীবিকা, জীববৈচিত্র্য ও দ্বীপ রক্ষায় সুস্পষ্ট নীতিমালা তৈরি করা।

স্মারকলিপি দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন, এনভায়রনমেন্ট পিপল এর প্রধান নির্বাহী রাশেদুল মজিদ, চ্যানেল আই এর প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন কক্সবাজারের উপদেষ্টা সরওয়ার আজম মানিক, রিপোর্টাস ইউনিটি কক্সবাজারের সভাপতি এইচ এম নজরুল ইসলাম, পরিবেশ কর্মী সাইফুল ইসলাম ও সিরাজুল ইসলাম।

এনভায়রনমেন্ট পিপল এর প্রধান নির্বাহী রাশেদুল মজিদ বলেন, “৯ দফা ও উচ্চ আদালতের রায় বাস্তবায়ন করা না হলে ধীরে ধীরে দ্বীপটির অস্তিত্ব বিপন্ন হবে। এ বিষয়ে আমাদের এখনই ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।”

এর আগে ২৭ ও ২৮ জানুয়ারি সংগঠনটির সদস্যরা দ্বীপের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করেন। সেসময় স্বেচ্ছাসেবীদের নিয়ে তারা দ্বীপটিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালান এবং দ্বীপের পরিবেশ রক্ষায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

Comments

The Daily Star  | English
MP Azim’s body recovery

Feud over gold stash behind murder

Slain lawmaker Anwarul Azim Anar and key suspect Aktaruzzaman used to run a gold smuggling racket until they fell out over money and Azim kept a stash worth over Tk 100 crore to himself, detectives said.

7h ago