টেস্ট ভেন্যু থেকে সাকিবের ছবিযুক্ত বিজ্ঞাপন প্রত্যাহার

মিরপুর টেস্ট চলার সময় সাকিবের ছবিযুক্ত ছাতা লাগিয়েছিল এসএমসি। তবে ‘স্পর্শকাতর’ হওয়ায় সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) টেস্টের তৃতীয় দিনে সেই বিজ্ঞাপন সংবলিত ছাতাগুলো সরিয়ে নিয়েছে বিসিবি।
Shakib SMC ADD
ছবি: ফিরোজ আহমেদ

জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন করায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিষিদ্ধ আছেন সাকিব আল হাসান। কিন্তু এ সময়ে তার জনপ্রিয়তা যেন আগের চেয়েও চাঙা, বিভিন্ন পণ্যের শুভেচ্ছা দূত। নিষেধাজ্ঞার সময়েই সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানি (এসএমসি) পণ্যদূত করে তাকে। চলমান জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজেও স্পন্সর তারা। সেকারণেই মিরপুর টেস্ট চলার সময় সাকিবের ছবিযুক্ত ছাতা লাগিয়েছিল এসএমসি। তবে ‘স্পর্শকাতর’ হওয়ায় সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) টেস্টের তৃতীয় দিনে সেই বিজ্ঞাপন সংবলিত ছাতাগুলো সরিয়ে নিয়েছে বিসিবি।

আলোকচিত্রী সাংবাদিকরা বাউন্ডারি লাইনের বাইরে থেকে ছবি তোলার কাজ করেন। তাদের রোদ থেকে রক্ষায় যে ছাতা দেওয়া হয়, তাতে এবার ছিল সাকিবের বিজ্ঞাপন যুক্ত ছবি। টেস্টের প্রথম দুদিন তা দেখানো হয় টিভি পর্দাতেও। তৃতীয় দিনে এসে বিষয়টি নজরে পড়ে বিসিবির। পরে তড়িঘড়ি করে সেগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়।

বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজামউদ্দিন চৌধুরী দ্য ডেইলি স্টারকে এই বিজ্ঞাপন প্রত্যাহার করার কথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আইসিসির কিছু বিধি নিষেধের কথা মাথায় রেখেই এই বিজ্ঞাপন তুলে নেন তারা, ‘মূল ব্যাপারটা হচ্ছে, একটা স্পর্শকাতর কারণে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিষিদ্ধ সাকিব, তাই না? যেহেতু আইসিসি কমিটমেন্টের (অধীন) একটা ম্যাচ এবং এটা সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে, বিষয়টা একটু স্পর্শকাতর। আমরা মনে করেছি, এই সময়টায় আসলে এটা উপেক্ষা করাই ভালো।’

তিনবার জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন করায় গত বছরের ২৯ অক্টোবর সব ধরনের ক্রিকেটীয় কার্যক্রম থেকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয় বাঁহাতি অলরাউন্ডার সাকিবকে। এর মধ্যে এক বছরের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত থাকায় নতুন করে কোনো অপরাধ না করলে তিনি খেলায় ফিরতে পারবেন চলতি বছরের ২৯ অক্টোবরের পর।

Comments

The Daily Star  | English
Impact of esports on Bangladeshi society

From fringe hobby to national pride

For years, gaming in Bangladesh was seen as a waste of time -- often dismissed as a frivolous activity or a distraction from more “serious” pursuits. Traditional societal norms placed little value on gaming, perceiving it as an endeavour devoid of any real-world benefits.

15h ago