জোড়া সেঞ্চুরিতে সেরা জুটির রেকর্ডও গড়লেন তামিম-লিটন

ওপেনিংয়ে দেশের সেরা জুটির রেকর্ড হয়েছিল বৃষ্টির শুরুর আগেই। শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুৎ আর মেহরাব হোসেন অপির ২১ বছর আগের রেকর্ড ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন তামিম ইকবাল ও লিটন দাস। এবার যেকোনো উইকেট জুটিতেই দেশের হয়ে সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ডও গড়লেন তারা। ছাড়িয়ে গেলেন সাকিব আল হাসান আর মাহমুদউল্লাহকে।
Tamim Iqbal & Liton Das
ছবি: ফিরোজ আহমেদ

ওপেনিংয়ে দেশের সেরা জুটির রেকর্ড হয়েছিল বৃষ্টির শুরুর আগেই। শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুৎ আর মেহরাব হোসেন অপির ২১ বছর আগের রেকর্ড ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন তামিম ইকবাল ও লিটন দাস। এবার যেকোনো উইকেট জুটিতেই দেশের হয়ে সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ডও গড়লেন তারা। ছাড়িয়ে গেলেন সাকিব আল হাসান আর মাহমুদউল্লাহকে।

২০১৭ সালে কার্ডিফে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ম্যাচে  নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পঞ্চম উইকেটে সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ২২৪ রানের জুটি এতদিন ছিল যেকোনো উইকেটে  ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জুটি। এবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রচিত হলো নতুন রেকর্ড।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে লিটন, তামিম ছোটালেন চার-ছয়ের ফুলঝুরি। রেকর্ডের পথে দুজনেই করেন সেঞ্চুরি। এই প্রথম একই ওয়ানডেতে বাংলাদেশের দুই ওপেনারই পেলেন সেঞ্চুরি।

লিটনের সেঞ্চুরি এসে গিয়েছিল বৃষ্টি শুরুর আগে। বৃষ্টিতে ২ ঘণ্টা ৩৮ মিনিট বন্ধ থাকার পর ছন্দ পড়ে যাওয়ার শঙ্কা ছিল। লিটন এসেই দুবার জীবনও পান। পরে মানিয়ে নিয়েই খেলতে থাকেন আগ্রাসী মেজাজে। তামিম বৃষ্টির পরও থাকেন থিতু। অনেকদিন রান পেতে ভুগার পর এবার টানা দ্বিতীয় ম্যাচে করলেন সেঞ্চুরি।

৩৭তম ওভারে দুজনে স্পর্শ করেন সাকিব-মাহমুদউল্লাহর ২২৪ রানের অবিস্মরনীয় জুটি। তারপরই ছক্কা মেরে রেকর্ড ভেঙে দেন লিটন। রেকর্ড ভাঙার সময় লিটনের রান ১২৮ বলে ১৩ চার, ৩ ছক্কায় ১৩০। তামিম তখন ৯৬ বলে ৯৭। পরে তিনি তুলে নেন সেঞ্চুরি।

এই জুটি থেমেছে তিনশোর কাছে গিয়ে। ১৪৩ বলে ১৭৬ রান করে লিটন আউট হলে ভাঙে এই জুটি। ২৯২ রানের তামিম-লিটনের উপরে ওপেনিংয়ে বড় জুটি আছে আর মাত্র দুটি। ২০১৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের  জন ক্যাম্পবেল আর শেই হোপ আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে গড়েছিলেন ৩৬৫ রানের বিশ্বরেকর্ড জুটি। তার আগে ২০১৮ সালে এই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৩০৪ রানের জুটি গড়ে তখনকার রেকর্ড গড়েছিলেন পাকিস্তানের ফখর জামান ও ইমাম-উল হক। 

Comments