হাসপাতাল থেকে খালেদা জিয়ার জীবিত বের হওয়া নিয়ে পরিবারের শঙ্কা

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা উদ্বেগজনক জানিয়ে তার বোন সেলিমা রহমান জানিয়েছেন, সরকার যেভাবে তার মুক্তিতে দেরি করছে, তাতে হাসপাতাল থেকে বিএনপি চেয়ারপারসনকে জীবিত নিয়ে যেতে পারবেন কিনা তাই নিয়ে শঙ্কায় আছেন তারা।
স্টার ফাইল ফটো

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা উদ্বেগজনক জানিয়ে তার বোন সেলিমা রহমান জানিয়েছেন, সরকার যেভাবে তার মুক্তিতে দেরি করছে, তাতে হাসপাতাল থেকে বিএনপি চেয়ারপারসনকে জীবিত নিয়ে যেতে পারবেন কিনা তাই নিয়ে শঙ্কায় আছেন তারা।

আজ শনিবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) এ খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে আসার পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সেলিমা রহমান।  

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা, বয়স বিবেচনায় মানবিক কারণে তাকে মুক্তি দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।  

তিনি বলেন, ‘তার শারীরিক অবস্থা খুব খারাপ। শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় ভুগছেন। তার কথা বলতেও কষ্ট হচ্ছে।’

‘গতকাল রাতে বুকে ব্যথা এবং শ্বাসকষ্ট হয়েছে। বাম হাত পুরোপুরি বেঁকে গেছে। তিনি নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারছেন না। এমনকি তিনি খেতেও পারছেন না। মানবিক দিক বিবেচনায় সরকারের প্রতি তার মুক্তির আহ্বান জানাই। আমরা শঙ্কায় আছি, হাসপাতাল থেকে আমরা তাকে জীবিত বের করে নিয়ে যেতে পারব কিনা’, বলেন সেলিমা রহমান।

সেলিমা রহমান ছাড়াও খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার ও তার স্ত্রী কানিজ ফাতেমা, তাদের ছেলে অভীক ইস্কান্দার এবং আরও এক আত্মীয়সহ পাঁচ জন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া শাখার সদস্য শামসুদ্দিন দিদার জানিয়েছেন, তারা সেখানে প্রায় ঘণ্টাখানেক অবস্থান করেন।

সাংবাদিকদের সেলিমা রহমান জানান, দ্রুত উন্নত চিকিৎসা সেবা না দেওয়া হলে খালেদা জিয়ার যে কোনো কিছু হয়ে যেতে পারে।

এর আগে গত ২৪ জানুয়ারি হাসপাতালে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ জানান সেলিমা রহমান।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার দুর্নীতির দায়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাভোগ করছেন খালেদা জিয়া। পরে আরেক দুর্নীতি মামলাতেও দোষি সাব্যস্ত হন তিনি।

চিকিৎসার কারণে গত বছরের ১ এপ্রিল থেকে বিএসএমএমইউতে আছেন খালেদা জিয়া।

 

 

Comments

The Daily Star  | English

Freeze ex-IGP Benazir’s 119 more properties: court

A Dhaka court today ordered the authorities concerned to freeze assets which former IGP Benazir Ahmed and his family members bought through 119 deeds

54m ago