৭০ শতাংশ বেতন ছাড়তে রাজি নয় বার্সেলোনার খেলোয়াড়রা

ছবি: এএফপি

করোনাভাইরাসের প্রকোপে প্রায় সবকিছু বন্ধ। শিগগিরই মাঠে ফুটবল গড়ানোর সম্ভাবনাও একরকম নেই। এ অবস্থায় ক্লাবগুলো বেশ বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনাও ব্যতিক্রম নয়। তাই ফুটবলারদের ৭০ শতাংশ বেতন কম নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল বার্সা কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি ক্লাবের অন্যান্য কর্মীদের বেতন ৩০ শতাংশ হারে কেটে নেওয়ার প্রস্তাবও করা হয়েছিল। তবে বার্সার খেলোয়াড়রা আপত্তি জানিয়ে প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে ক্রীড়াভিত্তিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ইএসপিএন।

বেতন কমানোর বিষয়ে বার্সেলোনা বোর্ড ও অধিনায়কদের মাঝে আলোচনা এখনও বিরাজমান। বেতন কাটা নিয়ে অবশ্য আপত্তি নেই বার্সা খেলোয়াড়দের। আপত্তি অর্থের পরিমাণ নিয়ে। বেতনের সিংহভাগ অর্থাৎ ৭০ শতাংশ ছাড় দিতে রাজি নন তারা। ক্লাবের চুক্তির শর্তগুলো মেনেই পারিশ্রমিক কেটে নিতে আহ্বান করেছেন তারা। এ নিয়ে বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় এবং বোর্ড কর্মকর্তাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের সংবাদও জানা গেছে।

স্প্যানিশ গণমাধ্যম এএসের সংবাদ অনুযায়ী, বার্সেলোনার খেলোয়াড়দের প্রতিবাদের কারণে ৫০ শতাংশ বেতন কাটার কথা উল্লেখ করে নতুন প্রস্তাব দিতে পারে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। তবে এতেও আপত্তি তুলতে পারেন খেলোয়াড়রা।

তবে ২০০৮ সালে অর্থনৈতিক মন্দার সময়ে করা স্প্যানিশ শ্রম আইন অনুযায়ী, আর্থিক ক্ষতি সামলাতে না পারলে ক্রান্তিকালে কোনো প্রতিষ্ঠান একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কর্মীদের বেতন কাটছাঁট করতে পারবে। সেক্ষেত্রে প্রথম ১৮০ দিন পর্যন্ত ৭০ শতাংশ হারে বেতন পাবেন কর্মীরা। অর্থাৎ ৩০ শতাংশ বেতন কেটে নিতে পারবে ক্লাব।

খেলোয়াড়দের বাৎসরিক বেতনের অঙ্কের দিক দিয়ে বিশ্বের শীর্ষে আছে বার্সেলোনা। বছরে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ইউরো শুধু খেলোয়াড়দের বেতন-ভাতা দিতেই খরচ করে ক্লাবটি। খেলা না থাকায় টেলিভিশন স্বত্ব, ম্যাচ জয়ের প্রাইজমানি, ম্যাচের টিকিট বিক্রি- কোনোকিছু থেকেই আয় হচ্ছে না তাদের। করোনাভাইরাসের কারণে বন্ধ বার্সা জাদুঘরও।

করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট আর্থিক ঘাটতি পোষাতে প্রিমিয়ার লিগসহ ইউরোপের অন্যান্য লিগের ক্লাবগুলো খেলোয়াড়দের বেতন কাটছাঁটের কথা ভাবছে। দুই জার্মান জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখ ও বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের ফুটবলাররা এর মধ্যেই ক্লাব কর্তৃপক্ষের প্রস্তাবে রাজি হয়েছেন। তাদের বেতনের ২০ শতাংশ কাটা পড়বে। আর যদি ভবিষ্যতে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে খেলা হয়, তাহলে কাটা যাবে ১০ শতাংশ।

Comments

The Daily Star  | English
Remittance Earnings of Four South Asian Countries

Bangladesh back in South Asia remittance race

Bangladesh has returned to a competitive remittance growth path in line with its South Asian neighbours, with a larger-than-usual flow of money sent home by expatriates following the political changeover in August last year.

11h ago