বিশেষ ওএমএসে ৫ এপ্রিল থেকে ১০ টাকা কেজি দরে চাল

আগামী ৫ এপ্রিল থেকে ঢাকাসহ দেশের সব বিভাগীয় ও জেলা শহরে বিশেষ ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) কার্যক্রমের আওতায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি শুরু হবে।
ফাইল ছবি

আগামী ৫ এপ্রিল থেকে ঢাকাসহ দেশের সব বিভাগীয় ও জেলা শহরে বিশেষ ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) কার্যক্রমের আওতায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি শুরু হবে।

আজ বৃহস্পতিবার খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা নীতিমালায় বিষয়টি জানানো হয়েছে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, একজন ক্রেতা সপ্তাহে একবার জাতীয় পরিচয়পত্র দেখিয়ে পাঁচ কেজি চাল কিনতে পারবেন। এক পরিবার থেকে একজনের বেশি কেউ চাল কিনতে পারবেন না। সপ্তাহের প্রতি রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চাল বিক্রি করা হবে। ঢাকায় প্রতি কেন্দ্রে দৈনিক তিন টন এবং ঢাকার বাইরে প্রতিটি কেন্দ্রে দুই টন করে চাল দেওয়া হবে।

নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, কেন্দ্রগুলো যাতে বস্তিসহ নিম্নবিত্ত লোকজন যে এলাকায় বসবাস করেন সেখানে স্থাপন করা হয়। স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা জনপ্রতিনিধিদের তদারকিতে বিশেষ এই কর্মসূচি পরিচালনা করতে হবে।

সরকারঘোষিত সাধারণ ছুটিতে শ্রমজীবী মানুষ কর্মহীন হয়ে ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে। দিনমজুর, রিকশাচালক, ভ্যানচালক, পরিবহন শ্রমিক, ফেরিওয়ালা, চায়ের দোকানদার, ভিক্ষুক, ভবঘুরে, তৃতীয়লিঙ্গ সম্প্রদায়সহ অন্যান্য সব কর্মহীন মানুষ এই সুবিধার আওতায় চাল পাবেন।

খাদ্য সচিব নাজমানারা খানুম, গ্রামে আগে থেকেই খাদ্যবাদন্ধব কর্মসূচির আওতায় ৫০ লাখ পরিবারের কাছে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রির কার্যক্রম চলছে। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের এই সময়টায় এরকম কর্মসূচি শহরে চালু না থাকায় ওএমএস এর মাধ্যমে চাল বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হলো।

অর্থমন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, শহরে ৩০ টাকা কেজি দরে ওএমএস কার্যক্রমের জন্য চলতি অর্থবছরে প্রায় এক লাখ টন চাল বরাদ্দ ছিল। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র এক হাজার টন বিক্রি হয়েছে। ৪৩ টাকা কেজি দরে কেনা এই চালে ৩৪ টাকা ভর্তুকি দিয়ে বিক্রি করা হবে। এর জন্য সংশোধিত বাজেটে অতিরিক্ত আরও ৬১ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

Comments

The Daily Star  | English

Climate change to wreck global income by 2050: study

Researchers in Germany estimate that climate change will shrink global GDP at least 20% by 2050. Scientists said that figure would worsen if countries fail to meet emissions-cutting targets

23m ago